৩০ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দীর্ঘ সংসদীয় জীবনের মাঝে সাময়িক বিরতি। ফের কংগ্রেসের টিকিটে রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচিত হলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। রাজস্থান থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদের উচ্চকক্ষে নির্বাচিত হয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বিরুদ্ধে বিরোধীরা কোনও প্রার্থী না দেওয়ায় রাজ্যসভার একটি আসনের জন্য আরও উপনির্বাচনের প্রয়োজন হল না। সোমবার মনোনয়নপত্র পেশ করার শেষদিনই রাজস্থান বিধানসভার রিটার্নিং অফিসার জানিয়ে দেন মনমোহন সিং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর হয়ে নির্বাচনী শংসাপত্র গ্রহণ করেন রাজস্থান সরকারের মুখ্য সচেতক। জয়ের ফলে ফের সংসদের দরজা খুলে গেল কংগ্রসের বর্ষীয়ান এই নেতার জন্য।

[আরও পড়ুন: নেহরুর জন্যই হাতছাড়া আকসাই চিন, কংগ্রেসকে তোপ লাদাখের সাংসদের]

এতদিন অসম থেকেই রাজ্যসভায় আসতেন মনমোহন। ১৯৯১ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত টানা অসম থেকে রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচিত হন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে ২০০৪ থেকে ১৪ পর্যন্ত দশ বছর প্রধানমন্ত্রীও ছিলেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীও হন রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবেই। এবছর ১৪ জুন সাংসদ হিসেবে তাঁর মেয়াদ শেষ হয়। অসমে কংগ্রেসের অবস্থা এতটাই খারাপ যে সেখান থেকে আর পুনর্নির্বাচিত হওয়া সম্ভব ছিল না মনমোহনের পক্ষে। দলের বিধায়ক সংখ্যা কম থাকায় সেখান থেকে আর প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে প্রার্থী করা যায়নি। মুশকিল হল, সেসময় মনমোহনকে সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যসভায় পাঠানোর মতো অবস্থা কোনও রাজ্যেই ছিল না কংগ্রেসের। ফলে মনে হচ্ছিল, এখানেই হয়তো প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ রাজনৈতিক কেরিয়ারে ইতি পড়তে চলেছে।

[আরও পড়ুন: অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে রাম মন্দিরই হোক, চাইছেন বাবরের বংশধর]

কিন্তু, অপ্রত্যাশিতভাবে কংগ্রেস প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে রাজস্থান থেকে রাজ্যসভায় পাঠানোর সুযোগ পেয়ে যায়। রাজস্থানের বিজেপি সাংসদ মদনলাল সাহানির মৃত্যুতে তাঁর আসনে উপনির্বাচনের প্রয়োজন হয়। এই মুহূর্তে রাজস্থান বিধানসভায় বিজেপির থেকে অনেকটাই এগিয়ে কং শিবির। জয় নিশ্চিত জেনেই এই আসন থেকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেয় হাত শিবির। একই কারণে মনমোহনের বিরুদ্ধে প্রার্থী দেয়নি গেরুয়া শিবিরও। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন তিনি। মনমোহন সংসদে ফেরায়, কংগ্রেস সাংসদদের কৌশলগত সুবিধা হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং