Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Maoist

মাথার দাম ছিল ১৫ লক্ষ! ঝাড়খণ্ডে খতম শীর্ষ মাও নেতা, সাফল্য ছত্তিশগড়েও

মাওবাদী মুক্ত ভারতের লক্ষ্যে ফের বড় সাফল্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২৫, ১৫:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২৫, ১৫:৩৫

options
link
মাথার দাম ছিল ১৫ লক্ষ! ঝাড়খণ্ডে খতম শীর্ষ মাও নেতা, সাফল্য ছত্তিশগড়েও zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাওবাদী মুক্ত ভারতের লক্ষ্যে ফের বড় সাফল্য। ঝাড়খণ্ডের গুমলা জেলায় নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে খতম শীর্ষ মাওবাদী নেতা। যার মাথার দাম ছিল ১৫ লক্ষ টাকা। অন্যদিকে, ছত্তিশগড়ের বিজাপুর জেলায় অভিযান চালিয়ে আরও এক মাওবাদীকে নিকেশ করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।

নিরাপত্তাবাহিনীর তরফে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে গুমলা জেলার চঙ্গাবাদি আপারতলি অঞ্চলে অভিযানে নামে নিরাপত্তা বাহিনী। তল্লাশি অভিযান চলাকালীন পিছু হঠার জায়গা না পেয়ে নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। অতর্কিত এই হামলা সামলে নিয়ে পালটা গুলি চালায় বাহিনী। দীর্ঘক্ষণ দুপক্ষের গুলির লড়াইয়ের পর মৃত্যু হয় এক মাওবাদীর। জানা গিয়েছে, মৃত এই মাওবাদীর নাম মার্টিন কেরকেট্টা। ‘পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া’ নামে নিষিদ্ধ সংগঠনের অন্যতম কমান্ডার এই মাওবাদীর মাথার দাম ছিল ১৫ লক্ষ টাকা। তার মৃত্যু বড় সাফল্য হিসেবে মনে করছে নিরাপত্তাবাহিনী। মৃতের কাছ থেকে একটি পিস্তল-সহ একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

Advertisement

পুলিশের দাবি, গুলির লড়াই চলার সময় ঘটনাস্থলে ৪ জন মাওবাদী উপস্থিত ছিল। তবে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে তাদের মধ্যে তিন জন পালিয়ে যায়। মাওবাদীদের খোঁজে এলাকাজুড়ে শুরু হয়েছে তল্লাশি। অন্যদিকে, ছত্তিশগড়ের বিজাপুর জেলায় জঙ্গলের মধ্যে অভিযান চলাকালীন এক মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে। এখানেও মৃত মাওবাদীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের মে মাসের মধ্যে মাওবাদী মুক্ত ভারতের লক্ষ্য বেঁধে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই লক্ষ্যে নেমে চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত শুধুমাত্র ছত্তিশগড়ে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছে ২২৭ জন মাওবাদীর। এর মধ্যে ২০৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বস্তার রেঞ্জে। যার মধ্যে রয়েছে বিজাপুর, বস্তার, কাঙ্কের, কোন্ডাগাঁও, নারায়ণপুর, সুকমা এবং দান্তেওয়াড়া জেলা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.