Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
মারুতি

৪০ দিন পর কাজ শুরু, খুশির হওয়া মানেসরে মারুতির গাড়ি কারখানায়

গুরগ্রামের কারখানায় কাজ শুরু করারও অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২০, ১১:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২০, ১১:৫০

options
link
৪০ দিন পর কাজ শুরু, খুশির হওয়া মানেসরে মারুতির গাড়ি কারখানায় zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনে থমকে গিয়েছে অর্থনীতির চাকা। করোনা মোকাবিলায় স্বাভাবিক কাজকর্ম বন্ধ থাকায় অনেকটাই ক্ষতির সম্মুখীন হত হয়েছে ভারী শিল্পকে। তবে আশা জাগিয়ে একটানা ৪০ দিনেরও বেশি সময় ধরে কাজকর্ম বন্ধ রাখার পর হরিয়ানার মানেসর কারখানায় গাড়ি তৈরির কাজ শুরু করল মারুতি।

[আরও পড়ুন: মোদির দাওয়াইয়ে চনমনে শেয়ার বাজার, লাফিয়ে বাড়ল সূচক]

লকডাউনের জেরে সাময়িকভাবে কারখানাগুলি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন বহু মানুষ। বিশেষ করে অস্থায়ী শ্রমিকদের অবস্থা শোচনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে মানেসরে মারুতির কারখানায় গাড়ি তৈরির কাজ শুরু হওয়ায় স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন অনেকেই। তবে কাজ শুরু হলেও, এখনই ১০০ শতাংশ কর্মীকে নিয়ে কাজ করা যাচ্ছে না। বরং ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কর্মীকে নিয়ে একটি মাত্র শিফটে কাজ চালাতে হচ্ছে। Maruti Suzuki India’র চেয়ারম্যান আরসি ভার্গব বলেন, “মানেসরের কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়ে গিয়েছে। মঙ্গলবার থেকেই গাড়ি তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে পূর্ণ ক্ষমতায় কাজ শুরু এখনই হচ্ছে না।” তিনি আরও জানিয়েছেন, সংস্থার গুরগ্রামের কারখানায় কাজ শুরু করার অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে সেখানে কাজ শুরু করা হবে না। এখনই দেশে স্বাভাবিকভাবে গাড়ি বিক্রি করার মতো পরিবেশ তৈরি হয়নি। তাই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

উল্লেখ্য, মানেসর এবং গুরুগ্রাম, মারুতির এই দুই কারখানায় বছরে সাড়ে ১৫ লক্ষ গাড়ি তৈরি ক্ষমতা রয়েছে। গত ২২ মার্চ জনতা কার্ফুর দিন থেকে কাজ বন্ধ ছিল সেখানে। তবে বতমন পরিস্থিতে সংস্থাটি নজর ধরে রাখতে কতটা সক্ষম হবে জানতে চাইলে, মারুতি-সুজুকি ইন্ডিয়ার শীর্ষ কর্তা ভারতে গাড়ির উপর অত্যধিক কর নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘‘ভারতে গাড়ির উপর করের পরিমাণ অনেকটাই বেশি। কেন্দ্র এবং রাজ্য, দুই সরকারই অনেক বেশি কর নেয়। পৃথিবীর কোথাও এত বেশি কর দিতে হয় না।”

[আরও পড়ুন: মোট আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে চিনের নিচেই ভারত! গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত শতাধিক]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.