Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Madhya Pradesh fire

মধ্যপ্রদেশের সরকারি দপ্তরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, আগুন নেভাতে নামল বায়ুসেনাও

পুড়ে গিয়েছে অন্তত ১২ হাজার নথিপত্র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০২৩, ১৪:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০২৩, ১৪:৫৬

options
link
মধ্যপ্রদেশের সরকারি দপ্তরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, আগুন নেভাতে নামল বায়ুসেনাও zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) একটি সরকারি ভবনে ভয়াবহ আগুন লাগল। সোমবার বিকেলে আচমকাই আগুন ধরে যায় ভোপালের (Bhopal) সাতপুরা ভবনে। আগুন নেভানোর জন্য ভারতীয় সেনার শরণাপন্ন হয় স্থানীয় প্রশাসন। অন্তত ১৪ ঘণ্টা ধরে আগুনের গ্রাসে ছিল সাতপুরা ভবন (Satpura Bhawan)। ভারতীয় সেনা ও বায়ুসেনার চেষ্টায় অবশেষে আগুন নেভানো যায়। অগ্নিকাণ্ডের জেরে অবশ্য কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি ভোপালে। প্রসঙ্গত ভোপালের এই ভবনেই রয়েছে সিবিআই-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার দপ্তর।

ঘটনার সূত্রপাত সোমবার বিকেলে। স্থানীয়দের সূত্রে জানা গিয়েছে, সরকারি ভবনের তিন তলায় আগুন লাগে বিকেল চারটে নাগাদ। সেখানেই রয়েছে জনজাতি উন্নয়ন বিভাগের দপ্তর। তিন তলা থেকেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে উপরের দিকে। সঙ্গে সঙ্গে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা। আটকে পড়া ব্যক্তিদের বের করে আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয় সঙ্গে সঙ্গেই। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘বয়কট রূপম ইসলাম!’ অনুষ্ঠান মঞ্চে উমর খালিদকে সমর্থন করে নেটিজেনদের রোষের মুখে গায়ক]

আগুনের তীব্রতা দেখেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান (Shibraj Singh Chouhan)। পরিস্থিতির ভয়াবহতা উল্লেখ করে গোটা ঘটনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি। তারপরেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের (Rajnath Singh) কাছে আবেদন করেন, আগুন নেভানোর কাজে শামিল হোক ভারতীয় সেনা। সেই মতোই ভোপালে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে ভারতীয় সেনা, সিআইএসএফ ও ভারতীয় বায়ুসেনা। এএন-৩২ ও এমআই-১৫ যুদ্ধবিমান পাঠানো হয় ভোপালে। বায়ুসেনা বিমান থেকে জল ঢেলে আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়। ১৪ ঘণ্টা লড়াইয়ের পর অবশেষে মঙ্গলবার সকালে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

জানা গিয়েছে, আগুনের জেরে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক সরকারি দপ্তর। তার মধ্যে অন্যতম হল স্বাস্থ্য দপ্তর। বহু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, এসিতে শর্ট সার্কিট হয়ে গিয়েছিল। সেখান থেকেই বিদ্যুতের তার বেয়ে গোটা ভবনে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তার জেরে একাধিক এসির মধ্যে বিস্ফোরণও ঘটে। তবে প্রশ্ন উঠছে, সরকারি দপ্তরে এইভাবে আগুন লাগল কী করে? ৪৭ দিন আগেই গোটা ভবনের অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হয়েছিল। সেখানেও কেন এই ত্রুটি ধরা পড়েনি, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

[আরও পড়ুন: টেস্ট ফাইনালে ব্রাত্য অশ্বিন, দল হারার পরে কী বললেন তারকা অফ স্পিনার?]

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.