Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৯ জুন ২০২৬
Matua

রাষ্ট্রপতির দরবারে মতুয়ারা, লিটল আন্দামানের নাম বদলে ‘হরি গুরুচাঁদ দ্বীপ’ রাখার আর্জি

গুরুচাঁদ ঠাকুরের নাতি প্রমথরঞ্জন ঠাকুরকে মরণোত্তর ভারতরত্ন দেওয়ার আর্জিও জানান তাঁরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ২১:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ২১:৪২

options
link
রাষ্ট্রপতির দরবারে মতুয়ারা, লিটল আন্দামানের নাম বদলে ‘হরি গুরুচাঁদ দ্বীপ’ রাখার আর্জি zoom

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: এসআইআর আবহে মতুয়াদের নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা। তারই মাঝে সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের নেতৃত্বে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ মতুয়া প্রতিনিধি দলের। একাধিক দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। তার মধ্যে অন্যতম হল লিটল আন্দামান দ্বীপের নাম বদলের দাবি। গুরুচাঁদ ঠাকুরের নাতি প্রমথরঞ্জন ঠাকুরকে মরণোত্তর ভারতরত্ন দেওয়ার আর্জিও জানান তাঁরা।

মতুয়া প্রতিনিধি দলের দাবি, লিটল আন্দামান দ্বীপের ৯৫ শতাংশ মানুষ মতুয়া। হরিচাঁদ, গুরুচাঁদের শিক্ষা, আদর্শ ওই এলাকায় যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। সাম্যবাদের ভাবধারা এনেছে। তাই সেই অবদানের স্বীকৃতিতে লিটল আন্দামানের নাম পরিবর্তন করে ‘হরি গুরুচাঁদ দ্বীপ’ রাখা হোক। দ্বিতীয়ত, ব্যারিস্টার প্রমথরঞ্জন ঠাকুরকে মরণোত্তর ভারতরত্ন করা হোক। কারণ, তফসিলিদের মধ্যে প্রথম আইনজীবী ছিলেন তিনি। ১৮৩৭-১৮৪৬ পর্যন্ত তৎকালীন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির বিধান পরিষদের সদস্য ছিলেন। তিনি সামাজিক, ধর্মীয় সংস্কারে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন। পূর্ব পাকিস্তান থেকে আসা হিন্দু শরণার্থীদের পুনর্বাসনে তাঁর বিরাট অবদান। দেশভাগের পর ঠাকুরনগরে দেশের প্রথম শরণার্থী কলোনি রূপে তৈরি করেছিলেন তিনি। ১৯৪৬ সালে ফরিদপুর, বাখরগঞ্জ, খুলনা ও যশোরের মতো জেলাগুলিকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। তাই তাঁকে মরণোত্তর সম্মান দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন মতুয়া প্রতিনিধিরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

হরিচাঁদ ঠাকুরের একসময় মতুয়া সম্প্রদায়কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভার কাঁধে তুলে নেন ছেলে গুরুচাঁদ ঠাকুর। ১৯৩০ সালে তিনি প্রয়াত হন। তাঁর মৃত্যুর পর প্রমথরঞ্জন ঠাকুর সেই দায়িত্ব নেন। ১৯৫০ সালে পূর্ব পাকিস্তান থেকে বহু কৃষক পশ্চিমবঙ্গে চলে আসেন। ১৯৬০ সালে কৃষকরা পুনর্বাসনের জন্য আন্দোলন শুরু করেন। তাতে প্রমথরঞ্জন ঠাকুর নেতৃত্ব দেন। তাঁর সঙ্গে বরিশালের বীণাপাণি দেবীর বিয়ে হয়। ১৯৯০ সালে পিআর ঠাকুর বা প্রমথরঞ্জন ঠাকুরের প্রয়াণের পর বড়মা বীণাপাণি দেবী মতুয়া মহাসংঘের ভার নেন। বর্তমানে রাজনীতির অলিন্দে ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়ি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.