Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

অদ্ভুত সিদ্ধান্ত! দূষণ কমাতে ৫০০ কুইন্টাল কাঠ পুড়িয়েই মহাযজ্ঞ

যজ্ঞের জন্যই নাকি ভারতের উপরের ওজনস্তরে তেমন ক্ষতি হয়নি!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০১৯, ১৬:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০১৯, ১৬:৫৮

options
link
অদ্ভুত সিদ্ধান্ত! দূষণ কমাতে ৫০০ কুইন্টাল কাঠ পুড়িয়েই মহাযজ্ঞ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গঙ্গাজলে গঙ্গাপুজোর রেওয়াজ অপ্রচলিত নয়। তবে দূষণ কমানোর বাসনায় কাঠ পুড়িয়ে দূষণ সৃষ্টি করে যে কেউ মহাযজ্ঞ করতে পারে, এমনটা দেখেনি দেশবাসী। তাও পোড়ানো হচ্ছে প্রায় ৫০০ কুইন্টাল কাঠ। অদ্ভুত এই সিদ্ধান্ত শ্রী অচ্যুতানন্দ মহাযজ্ঞ সমিতির।

 ক্ষমা চাওয়ার হিড়িক, গড়কড়ির কাছেও চিঠি কেজরিওয়ালের ]

Advertisement

যত অদ্ভুতই মনে হোক না কেন, যজ্ঞাগ্নি প্রজ্জ্বলিত হয়েছে। ১২৫x১২৫ স্কোয়ার ফুটের বিরাট যজ্ঞশালার চারিদিকে গেরুয়াধারী ঋত্বিকরা বসে আছেন। চলছে মন্ত্রোচ্চারণ। বারাণসী থেকে এসেছেন প্রায় ৩০০ জন ব্রাহ্মণ। মেরটের বৈশালিতে রীতিমতো সাজো সাজো রব। রোববার সকাল থেকে আহুতি দেওয়া হচ্ছে কাঠ। চলছে যজ্ঞের প্রক্রিয়া। তাও এক আধদিনে শেষ নয়। চলবে নয় দিন। আর বিরাট যজ্ঞে আহুতি দেওয়া হবে প্রায় ৫০০ কুইন্টাল আমকাঠ। যজ্ঞের আয়োজকদের বিশ্বাস, এই পবিত্র ধোঁয়াতেই শুদ্ধ হবে বায়ুমন্ডল। অর্থাৎ দূষণ কমাতেই এই বিরাট আয়োজন। লোহা দিয়ে লোহা কাটার মতো, ধোঁয়া দিয়েই দূষণ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আয়োজকরা।

 মূর্তি ভাঙার তাণ্ডব অব্যাহত, ফের আক্রান্ত আম্বেদকর ]

শ্রী অচ্যুতানন্দ মহাযজ্ঞ সমিতির ভাইস প্রেসিডেন্ট গিরীশ বনশল জানাচ্ছেন, “গরুর দুধ থেকে তৈরি খাঁটি ঘি আনা হয়েছে। আমকাঠে ঘি মাখিয়ে তা হোমাগ্নিতে ফেলা হচ্ছে। হিন্দুমতে, যজ্ঞের ফলেই বাতাশ পরিশোধিত হয়। এ নিয়ে কোনও বিজ্ঞানভিত্তিক প্রমাণ নেই। কিন্তু সে শুধু গবেষণা হয়নি বলে।” তাঁর বিশ্বাস, একবার এই যজ্ঞ শেষ হলেই পরিশোধিত বিশুদ্ধ বাতাসে শ্বাস নিতে পারবেন বাসিন্দারা।

[  পদ্ম হটাতে বদ্ধপরিকর শিব সেনা, মোদি মুক্ত ভারত গড়ার ডাক রাজ ঠাকরের ]

এদিকে বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, কিন্তু ধোঁয়া তো মিলায় না। বিপুল পরিমাণ কাঠ পোড়ালে যে কী ভয়ানক দূষণ হবে তা সহজেই অনুমেয়। কিন্তু ধর্মীয় অনুষঙ্গ জড়িত থাকায় কেউই প্রায় মুখ খুলছেন না। দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের আঞ্চলিক অফিসার আর কে ত্যাগী বলছেন, “এত কাঠ পোড়ালে দূষণ তো হবেই। কিন্তু সঠিক নিয়ম নেই বলে হস্তক্ষেপ করা সম্ভব হচ্ছে না।” এ বিষয়ে কোনওরকম মন্তব্য করতেও নারাজ তিনি।

[ কেন শ্রীদেবীর মৃতদেহ তেরঙ্গা দিয়ে মোড়া হল? প্রশ্ন রাজ ঠাকরের ]

ফলত রমরমিয়ে যজ্ঞ চলছে। জোরকদমে কাজে নেমে পড়েছেন সমিতির সদস্যরা। এমনকী আয়োজকদের বিশ্বাস, ভারতে যজ্ঞ হয় বলেই দেশের উপরের ওজনস্তরে তেমন কোনও ক্ষতি হয়নি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.