Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্নে মেজাজ হারালেন বিধায়ক, প্রশ্নকর্তাকে বেদম প্রহার

অভিযুক্ত বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০১৭, ১১:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০১৭, ১১:২৩

options
link
উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্নে মেজাজ হারালেন বিধায়ক, প্রশ্নকর্তাকে বেদম প্রহার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাধারণ মানুষের ভোটেই এলাকার জনপ্রিতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। কিন্তু, তা বলে জনসমক্ষে তাঁর কাছে উন্নয়ন নিয়ে কৈফিয়ত চাইবেন স্থানীয় বাসিন্দারা! বিষয়টি একেবারেই মেনে নিতে পারেননি মেঘালয়ের নির্দল বিধায়ক স্যামুয়েল সাংমা। রাগের মাথায় প্রশ্নকর্তাকে বেধড়ক মারধোর করলেন তিনি। এলাকার বিধায়কের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগে থানায় এফআইআর করেছেন আক্রান্ত ব্যক্তি।

[‘অসহিষ্ণুতা আছে, তবে হিন্দুরাই দেশকে প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষ করেছে’]

Advertisement

২০১৩ সালে বিধানসভা নির্বাচনের মেঘালয়ের দক্ষিণ গারো পাহাড়ের বাঘমারা বিধানসভা থেকে জয়ী হন নির্দল প্রার্থী স্যামুয়েল সাংমা। তবে নির্দল প্রার্থী হিসেবে বিধায়ক নির্বাচিত হলেও, এখন রাজ্যের কংগ্রেস সরকারকেই সমর্থন করছেন তিনি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে উপলক্ষ্যে নিজের বিধানসভা এলাকায় গিয়েছিলেন স্যামুয়েল। সেখানে এলাকার উন্নয়ন নিয়ে  সকলের সামনেই বিধায়ককে কিছু ‘অস্বস্তিকর’ প্রশ্ন করেছিলেন ফ্রিডম মারাক নামে এক ব্যক্তি। তাতেই মেজাজ হারান বিধায়ক। অভিযোগ, সকলের সামনেই ফ্রিডমকে বেধড়ক মারধর করেন স্যামুয়েল। বিধায়কের মারে রীতিমতো চোখ-মুখে ফুলে গিয়েছে ফ্রিডমের। ঘটনায় বাঘমারা থানায় বিধায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত ফ্রিডম মাকার।

[আপনি কী ভারতীয়? নিজের দেশেই একথা শুনে অপমানিত প্রাক্তন সেনাকর্মী]

বাঘমারার বিধায়কের বিরুদ্ধে যে পুলিশের অভিযোগ জমা পড়েছে, সেকথা স্বীকার করে নিয়েছেন দক্ষিণ গারোর পুলিশ সুপার টি সাংমা। তিনি জানিয়েছে, তদন্ত চলছে। অভিযোগকারীকে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এদিকে, বিধায়কের এই মারমুখী আচরণের নিন্দা করেছেন সিভিল সোসাইটি ওম্যান অর্গানাইজেশন। সংগঠনের সভাপতি অ্যাগনেস খারশিং জানিয়েছেন, ‘নিরীহ মানুষের উপর ধরনের হামলার তীব্র নিন্দা করছি। ওনার (বিধায়ক) মারধর করার কোনও অধিকার নেই।’ তবে শুধু ফ্রিডম মারাককেই নয়, একই কারণে বিধায়ক স্যামুয়েল সাংমার হাতে আরও একজনকে মার খেতে হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে ওই ব্যক্তি বিধায়কের বিরুদ্ধে এফআইআর করার সাহস দেখাননি।

[বাড়িতে শৌচালয় নেই, শ্বশুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের বউমার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.