সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনের ফলে ক্ষোভ বাড়ছে পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে। করোনা সংক্রমণ রুখতে মঙ্গলবারই লকডাউন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র সরকার। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মুম্বইয়ের বান্দ্রায় কয়েকশো শ্রমিক জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল সুরাটে। সেখানেও পরিযায়ী শ্রমিকরা একত্রিত হয়ে ঘরে ফেরার দাবি জানায়।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কয়েকশো পরিযায়ী শ্রমিক সুরাটের ভারাছা এলাকায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। তাঁদের বক্তব্য ছিল, লকডাউনের মধ্যে বাড়ি ফিরতে পারেননি তাঁরা। আশা করেছিলেন ১৪ এপ্রিল উঠে যাবে লকডাউন। তারপর বাড়ি ফিরতে পারবেন। কিন্তু লকডাউনের মেয়াদ বেড়ে যাওয়ায় সেই সুযোগ নেই। তাই তাঁদের দাবি, লকডাউনের মধ্যেই তাঁদের নিজের নিজের জায়গায় যেতে দেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছেন, “এই পরিযায়ী শ্রমিকরা তাঁদের জন্মস্থানগুলিতে যেতে চান। আমরা তাঁদের অধৈর্য না হওয়ার কথা বলেছি। কারণ বর্তমানে দেশে লকডাউন চলছে।” ঘটনাস্থলে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, “শ্রমিকদের মধ্যে অনেকে খাবারের বিষয়ে অভিযোগ করছিলেন। আমরা তৎক্ষণাৎ একটি সমাজসেবী সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করি। শ্রমিকদের জন্য খাবারের প্যাকেট নিয়ে আসা হয়। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে।”
[ আরও পড়ুন: করোনা LIVE UPDATE: ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত বেড়ে ১১,৪৩৯ ]
এদিকে মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী দেশজুড়ে লকডাউনের মেয়াদ ৩ মে পর্যন্ত বাড়ানোর ঘোষণা করতেই ঘরে ফেরার তাগিদে হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিকরা জড়ো হয়েছিল বান্দ্রা স্টেশনের কাছে। তাঁদের একটাই দাবি, বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করুক সরকার নাহলে তাঁদের পেট ভরানোর ব্যবস্থা করা হোক। লকডাউন ভেঙে তাঁদের এই জমায়েত নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এই ঘটনায় অনেকে জখম হন। তারপরই সুরাটের এই ঘটনা কেন্দ্রীয় সরকারকে বেশ অস্বস্তিতে ফেলেছে। যদিও কেন্দ্রের তরফে এখনও কেউ এনিয়ে মুখ খোলেননি।
সর্বশেষ খবর
-
সাইয়ের ২০০ কোটির প্রকল্প আটকে দিয়েছিল তৃণমূল! মমতা-অরূপকে কাঠগড়ায় তুলে বিস্ফোরক দিন্দা
-
খালি পায়ে সাড়ে তিন হাজার সিঁড়ি বেয়ে তিরুপতিতে জাহ্নবী, কেন এই কঠিন ব্রত?
-
সই-কাণ্ডে ফিরহাদের বাড়িতে সিআইডি, মিটিংয়ে কী ঘটেছিল? জিজ্ঞাসাবাদ মেয়রকে
-
ভুল নিয়মে পরলেই ঘোর অমঙ্গল, শুক্রের কৃপা পেতে কীভাবে হিরে ধারণ করবেন?
-
হামের মারণ হানা বাংলাদেশে, গত চব্বিশ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত ৬০৫