হেমন্ত মৈথিল, অযোধ্যা: ৬ মাসও হয়নি। লোকসভা ভোটে অযোধ্যায় হারের বদলা নিয়ে ফেলল বিজেপি! ফৈজাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত মিল্কিপুর বিধানসভা নির্বাচনে বিরাট ব্যবধানে জয়ী হল গেরুয়া শিবির। সমাজবাদী পার্টির অজিতেশ প্রসাদকে প্রায় ৬০ হাজার ব্যবধানে হারাল বিজেপি।
লোকসভা ভোটে অপ্রত্যাশিতভাবে বিজেপিকে হারতে হয়েছিল ফৈজাবাদে। ওই লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যেই পড়ে রামজন্মভূমি অযোধ্যা। ফৈজাবাদে বিজেপি প্রার্থী লাল্লু সিংকে হারিয়ে সাংসদ নির্বাচিত হন অবধেশ প্রসাদ। সাংসদ হওয়ার আগে ফৈজাবাদেরই অন্তর্গত মিল্কিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন অবধেশ। খোদ রামজন্মভূমিতেই এই হার গোটা দেশে বিজেপির হিন্দুত্ববাদী ভাবমূর্তিকে ধাক্কা দেয়।
সাংসদ হিসাবে শপথ গ্রহণ করার পর মিল্কিপুরের বিধায়ক পদ ছাড়তে হয় অবধেশকে। ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের প্রয়োজন পড়ে। বিজেপি অযোধ্যার হারের বদলা নেওয়ার জন্য এই মিল্কিপুর কেন্দ্রকেই পাখির চোখ করেছিল। বদলা নিতে বদ্ধপরিকর ছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। অবধেশ প্রসাদের ছেড়ে যাওয়া বিধানসভার উপনির্বাচনে জিততে কোমর বেঁধে আসরে নামেন তিনি। প্রেস্টিজ ফাইটে জিততে মরিয়া ছিলেন অখিলেশ যাদবও। তিনি প্রার্থী করেন অবদেশ প্রসাদেরই ছেলে অজিতেশ প্রসাদকে। প্রচারে দুই পক্ষই নিজেদের সর্বস্ব দিয়ে ঝাঁপায়। সামান্য একটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের জন্য একাধিকবার প্রচারে যান খোদ মুখ্যমন্ত্রী। প্রচারে খামতি রাখেননি অখিলেশ যাদবও। তিনিও নিজে মিল্কিপুর চষে ফেলেন।
ফলপ্রকাশের পর দেখা যাচ্ছে বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রভানু পাসওয়ান প্রায় ৬০ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছেন। অর্থাৎ অবধেশ প্রসাদ একেবারে নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে নিজেরই ছেলেকে জেতাতে পারলেন না। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে, ২০২৪ লোকসভায় তাঁর জয় স্রেফ ‘অঘটন’ নয় তো? সপা অবশ্য বলছে, “মিল্কিপুরে জিততে যত অসৎ উপায় অবলম্বন করা সম্ভব সবটাই করেছে বিজেপি। ভোটারদের ভয় দেখানো হয়েছে। প্রভাব খাটানো হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
মাহিকার সঙ্গে প্রেমের মাঝেই হার্দিকের জীবনে আমিশা! ভিডিও ভাইরাল হতেই অভিনেত্রী বললেন…
-
অবশেষে কাটল ‘অভিশাপ’, চিনের ঘরে ঢুকে ঐতিহাসিক খেতাব জয় সাত্ত্বিক-চিরাগের
-
‘মাওবাদের মতোই এবার নেশামুক্ত হবে ভারত’, লক্ষ্য স্থির রেখে ‘ব্লুপ্রিন্ট’ সাজালেন অমিত শাহ
-
হাতে প্রেমিকার নামের ট্যাটু, আছে বিশেষ অর্থও! বলিসুন্দরীর সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বিশ্বজয়ী ক্রিকেটার?
-
গভীর রাতে ঘুমচোখেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফোন খোঁচাচ্ছেন! ডুমস্ক্রলিং আসলে কী?