BREAKING NEWS

১ আশ্বিন  ১৪২৭  শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ব্রেন-হার্ট ন’ঘণ্টা বন্ধ রেখে সফল অস্ত্রোপচার

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: July 26, 2016 10:11 am|    Updated: July 26, 2016 10:11 am

An Images

ছবি: প্রতীকী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্র বন্ধ! তাও ৪০ মিনিট ধরে৷ রোগীর বয়স দুই৷ চলছে নয় ঘণ্টার অস্ত্রোপচার৷ হৃদযন্ত্র থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে ২০০ গ্রামের ক্যানসার আক্রান্ত টিউমার৷ সারা বিশ্বে এই নিয়ে পঞ্চমবার৷ বিরলতম এই অস্ত্রোপচারের পর সেরে উঠছে দুবাইয়ের বাসিন্দা আঁধি থপ্পিল ফবীর৷ আঁধির টিউমারের বাকি অংশ কেমোথেরাপিতে সারবেই, দাবি চিকিৎসকদের৷
সম্প্রতি এই অসাধ্যসাধন করলেন তামিলনাড়ুর ভিপিএস লেকশোরের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের প্রধান ড. এম কে মোসা কুহি ও তাঁর সহকর্মীরা৷ তিনি বলেন, আঁধির অভিভাবকরা দুবাইয়ে কর্মরত৷ যখন সে হাসপাতালে আসে, টিউমারটি বৃদ্ধির ফলে দেহের ৯৫ শতাংশ রক্ত সংবহন বন্ধ হয়ে গিয়েছে৷ তখন তাঁরা বুঝতে পারেন, ভ্রূণ অবস্থায় শিশুটির দেহে এই টিউমারটি তৈরি হয়েছিল৷ গর্ভাবস্থার তৃতীয় দিনে ইয়োক স্যাকের টিস্যুটি তৈরি হয়, তার পর একমাস ধরে তা বাড়তে থাকে৷ এক্ষেত্রে টিস্যুটি ক্যানসার আক্রান্ত ছিল৷ বিরলতম এই অবস্থায় হৃদপেশী হৃদযন্ত্রের বাইরে বেরিয়ে আসে৷
তবে, অস্ত্রোপচার মোটেও সহজ ছিল না। অস্ত্রোপচারের সময় দেহের তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামিয়ে আনা হয়৷ কারণ মানবদেহের অভ্যন্তরের তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি থাকলে তা স্বাভাবিক৷ তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি হলেই মৃত্যুর সম্ভাবনা৷ তাই হাইপোথারমিক সারকুলেটরি অ্যারেস্ট (ডিএইচসিএ)-র মাধ্যমে দেহের তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রিতে নামিয়ে এনে অস্ত্রোপচারের জন্য মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্র স্তব্ধ রাখা হয়৷ দুবাইয়ের চিকিৎসকদের বারণ সত্ত্বেও শিশুটিকে বিমানে ভারতে উড়িয়ে এনে সুস্থ করতে চেয়েছিলেন শিশুটির বাবা-মা৷ তাঁদের প্রত্যাশা পূর্ণ হয়েছে। আঁধি সেরে উঠবেই, আশা দিচ্ছেন চিকিৎসকরা৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement