Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১০ জুলাই ২০২৬

দুর্ঘটনায় খুলে বেরিয়ে এসেছিল হার্ট, অস্ত্রোপচার করে স্বাভাবিক জীবনের পথে যুবক

রাখে হরি, মারে কে!!!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০১৭, ০৬:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০১৭, ০৬:২২

options
link
দুর্ঘটনায় খুলে বেরিয়ে এসেছিল হার্ট, অস্ত্রোপচার করে স্বাভাবিক জীবনের পথে যুবক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভয়াবহ দুর্ঘটনায় শরীর থেকে খুলে বেরিয়ে এসেছিল হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস। প্রায় আট ঘণ্টা ধরে হৃৎপিণ্ডটি শরীরের বাইরেই ধক ধক করেছে। কিন্তু ওই যে কথায় আছে, রাখে হরি মারে কে! তেমনটাই হল প্রেমলালের সঙ্গে। আর কপালে থাকলে যে সবই সম্ভব তা প্রমাণ করে দেখালেন মধ্যপ্রদেশের বেতুল জেলা হাসপাতালের চিকিৎসকরা। অস্ত্রোপচার করে প্রেমলালের শরীরে ফের বসানো হয়েছে হৃৎপিণ্ড, ফুসফুসটি। আপাতত সে বিপদমুক্ত বলেই জানিয়েছেন তাঁরা।

doctor_web
এই ডাক্তাররাই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছেন।

হৃদযন্ত্রে সামান্য সমস্যা দেখা দিলেই জীবন সংশয়ের মুখে পড়তে হয় কোনও কোনও মানুষকে। সেখানে এমন মিরাকলও যে হতে পারে তা তো বিশ্বাসই করা যায় না। তাও আবার একটা জেলা হাসপাতালের এমন সাফল্য সত্যিই কুর্নিশ করার মতো। গত ২৫ এপ্রিল রাতে ঘটনাটি ঘটেছিল। প্রেমলাল নামে এক ব্যক্তি পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন। আঘাত শুধু গুরুতরই ছিল না, জীবনসংশয়ও ছিল বটে!

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ছেলের গায়ের রং কালো, বিয়ের মণ্ডপ ছাড়লেন কনে]

দুর্ঘটনার জেরে শরীরের ভিতর থেকে খুলে বেরিয়ে আসে হৃৎপিণ্ডটি। একই অবস্থা হয় ফুসফুসেরও। প্রেমলাল যে আবার প্রাণে বাঁচবেন তা তো কেউ ভাবতেই পারেননি। ওই অবস্থাতেই তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় বেতুল জেলা হাসপাতালে। সেদিন বিরাট সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা, বলেন প্রেমলালের এক নিকট আত্মীয়। সঙ্গে সঙ্গে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। পাশের টেবিলে তখনও আপন খেয়ালে নড়ে চলেছে প্রেমলালের শরীর থেকে বেরিয়ে আসা হৃৎপিণ্ডটি। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় অপারেশন থিয়েটারে। পরে ডাক্তাররা বলেছিলেন, আর তো কোনও উপায়ও ছিল না। ছেলেটাকে তো আর অন্য জায়গায় রেফার করার মতো অবস্থাও ছিল না।

[আজ সর্বভারতীয় জয়েন্টের ফলপ্রকাশ, কীভাবে জানবেন রেজাল্ট?]

চিকিৎসকদের একটি বিশেষ টিম হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপনের কাজটি করেন। সঙ্গে জায়গা মতো বসানো হয় ফুসফুসটিও। কিছুটা তাজ্জব বনে গিয়েছিলেন হাসপাতালের আধিকারিকরাও। দুর্ঘটনা থেকে অস্ত্রোপচার হওয়া পর্যন্ত মাঝে প্রায় আট ঘণ্টা প্রেমলালের শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল হৃদযন্ত্রটি। এক মুহূর্তের জন্য থামেনি সেটি। জেলা হাসপাতালের এক প্রবীণ চিকিৎসক রমেশ বড়বে জানান, কোনও সরকারি হাসপাতালে এমন অস্ত্রোপচার সত্যিই বিরল। সবথেকে বড় কথা প্রেমলাল নামে ওই ব্যক্তি এখন একদম সুস্থ। তাঁকে হাসপাতালের জেনারেল বেডে রাখা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.