সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইদের দিনে ফের গো-রক্ষকদের তাণ্ডব ঝাড়খণ্ডে। গিরিডি জেলায় গো-হত্যার অভিযোগ তুলে একই ব্যক্তির তিনটি বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিল স্থানীয় বাসিন্দা। আতঙ্কে এলাকা ছাড়া রহমান মইন নামে ওই ব্যক্তি। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ছ’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গ্রামে মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ।
[খরা মহারাষ্ট্রে, অথচ ঋণ মকুবের দাবি তুলেছেন গুজরাট-কর্নাটকের কৃষকরা]
ঝাড়খণ্ডের গিরিডি জেলার নাইতণ্ড গ্রাম। এই গ্রামের বাসিন্দা রহমান মইনের আর্থিক অবস্থা যথেষ্ট ভাল। গ্রামেই তাঁর তিন-তিনটি বাড়ি। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, শনিবার সকালে ইদ উপলক্ষে তিনটি গরু কুরবানি দেন রহমান মইন। পরে গ্রামবাসীদের মধ্যে গরুর মাংস বিতরণ করা হয়। আর এতেই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে এলাকা। রহমান মইনের তিনটি বাড়িতেই আগুন লাগিয়ে দেন গ্রামবাসীরা। সংঘর্ষে আহত অল্প-বিস্তর আহত চারজন। ঘটনার পর আতঙ্কে পালিয়ে যান রহমান মইন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পুলিশকর্মীরাই আগুন নিভিয়ে ফেলেন।
[শহিদের স্ত্রীকে সম্মান জানাতে গিয়ে বড় ভুল, বিতর্কে অখিলেশ]
ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ছ’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গিরিডির পুলিশ সুপার অখিলেশ বি ভারিয়ার জানিয়েছেন, রহমান মইনের বাড়ির থেকে গরুর মাংস ও হাড় উদ্ধার হয়েছে। পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে। তবে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে গ্রামে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
[বন্ধ হওয়ার মুখে দেশের ৮০০টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ]
প্রসঙ্গত, এবছর ইদের আগে গো-হত্যায় নিষেধাজ্ঞা কথা জানিয়ে রাজ্য জুড়ে জোর প্রচার চালিয়েছিল ঝাড়খণ্ডের বিজেপি সরকার। তবে ঝাড়খণ্ডে গরু নিয়ে হিংসা ঘটনায় অবশ্য এই প্রথম নয়। গত ৩০ জুন রামগড়ে গো-মাংস বহন করার অভিযোগে এক যুবককে পিটিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠে। ঘটনায় স্থানীয় এক বিজেপি নেতা-সহ তিন গ্রেপ্তার করা হয়।
[এটিএম থেকে হাতে এসেছে নকল নোট, কী করবেন?]
সর্বশেষ খবর
-
‘আপনাদের সঙ্গে ব্যবসা করব’, কথার ছলে পৌনে দু’লাখ টাকার চুনি-পান্না হাতিয়ে উধাও ‘বান্টি-বাবলি’
-
অনেক বড় হল ‘ছেলে’! মহা ধূমধামে পোষ্য ছাগলের ২০তম জন্মদিন উদযাপন গৃহস্থের
-
রাতের কারখানায় দুর্ঘটনা, জামুড়িয়ায় ফার্নেস ফেটে জখম অন্তত ৩, এলাকায় আতঙ্ক
-
এবার পানিহাটি পুরসভায় প্রশাসক নিয়োগ? বোর্ড মিটিং ভেস্তে যাওয়ায় বাড়ল জল্পনা
-
‘দখলমুক্ত হোক নাট্য অঙ্গন’, অ্যাকাডেমিতে গেরুয়া বিতর্কের পর শমীকের দরবারে চন্দন সেনরা