সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী পদের গরিমা নষ্ট করছেন নরেন্দ্র মোদি। বিহারের জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। তাঁর কথায়, “ভোটে জেতার জন্য যে ভাষা প্রয়োগ করা হচ্ছে তা কোনও প্রধানমন্ত্রীর মুখে মানায় না।”
শনিবার বিহারের নির্বাচনী প্রচারে রাজ্যের বিরোধী দলগুলিকে ফের একবার কড়া ভাষায় আক্রমণ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বললেন – আরজেডি তথা মহাগঠবন্ধন বিহারের তরুণ প্রজন্মকে ভুল পথে চালিত করতে চাইছে! মোদির দাবি, বিরোধীদের লক্ষ্য ওদের শিক্ষিত যুবক নয়, বরং গুন্ডা করে তোলা। অন্যদিকে, এনডিএ সরকার যুবসমাজকে কম্পিউটার ও খেলাধুলার সুযোগ দিচ্ছে। যুবসমাজের হাতে আমরা তুলে দিই ল্যাপটপ। আর ওরা ক্ষমতায় এলে তরুণদের হাতে তুলে দেবে ‘কট্টা’ অর্থাৎ বন্দুক। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা তরুণদের হাতে কম্পিউটার, স্পোর্টস ইকুইপমেন্ট তুলে দিচ্ছি। আর ওরা? ওরা নাকি পিস্তল দিতে চায়!”
মোদির জনসভার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর অভিযোগের জবাব দিলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা। বললেন, ‘‘কট্টার মতো শব্দের প্রয়োগ প্রধানমন্ত্রী পদের গরিমার সঙ্গে শোভা পায় না। মোদী তাঁর পদের মর্যাদা বজায় রাখছেন না।’’ এই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিকবার মোদির বিরুদ্ধে এমন মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছে যা প্রধানমন্ত্রী পদের গরিমা ক্ষুণ্ন করে। তবে বিহারের ভোটে ওই ‘কট্টা’ শব্দটি লাগাতার বলছেন তিনি।
এদিনের জনসভায় প্রিয়াঙ্কা আদানি-আম্বানি ইস্যুতেও তোপ দাগেন বিজেপি এবং মোদিকে। কংগ্রেস নেত্রী বলেন, “এনডিএ সরকার যুবকদের কর্মসংস্থান দিতে ব্যর্থ হয়েছে। তারা এখন দুই কর্পোরেট বন্ধুর হাতে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি তুলে দিতে সক্রিয়।’’ এ ক্ষেত্রে নাম না-করে ওয়েনাড়ের কংগ্রেস সাংসদ শনিবার শিল্পপতি গৌতম আদানি এবং মুকেশ অম্বানিকে নিশানা করেছেন বলেই মনে করা হচ্ছে।
সর্বশেষ খবর
-
হড়পা বানে মৃত্যুমিছিল, নেপালে একতা চাইছেন ‘ভারতবিদ্বেষী’ বলেন্দ্র! নয়াদিল্লির পাঠানো ত্রাণ নেবেন?
-
যজ্ঞেই শয়তান তাড়ানোর কথা বলে ‘শ্লীলতাহানি’, গয়না নিয়ে উধাও সঙ্গিনী-সহ তান্ত্রিক
-
হড়পা বানে আটকে কৈলাসযাত্রী শিষ্যরা, বিধ্বস্ত নেপালে উদ্ধারকাজে নামতে চান সদগুরু!
-
রাজ্যে উড়ল প্যালেস্তাইনের পতাকা! ‘জাতীয় মর্যাদার সঙ্গে আপস নয়’, কড়া বার্তা শুভেন্দুর
-
হাতে হাত, রংমিলান্তি পোশাক, ফের একফ্রেমে রাজ-শুভশ্রীকে দেখে শান্তি ভক্তদের