Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬

হাই হিল জুতো সামলাতে ব্যস্ত মা, হাত ফসকে ব্যালকনি থেকে পড়ে মৃত্যু শিশুর

একতলা থেকে পড়ে যায় শিশুটি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৭, ২০১৮, ১৯:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৭, ২০১৮, ১৯:৩১

options
link
হাই হিল জুতো সামলাতে ব্যস্ত মা, হাত ফসকে ব্যালকনি থেকে পড়ে মৃত্যু শিশুর zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফ্যাশন আর ফ্যাশন মেন্টেন করার মধ্যে বিস্তর ফারাক। যারা স্টাইলিশ পোশাক পরে, তারা যে তা ক্যারি করতে পারবে তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। ফের সেকথা প্রমাণ করে দিল একটি দুর্ঘটনা। জুতোর হিল ঠিক করতে গিয়ে মায়ের হাত থেকে পড়ে গেল ছ’মাসের শিশু। ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের কল্যাণে।

রবিবার রামবগ এলাকার মাতোশ্রি হলে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিল এক শিখ পরিবার। উল্লাস নগরের ধোবিঘাট এলাকা থেকে এসেছিল তারা। বাড়ি ফিরে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। ফেমিদা শেখ নামে এক মহিলা অনুষ্ঠানে হাই হিল জুতো পরে এসেছিলেন। নিজের ছ’মাসের পুত্র সন্তানকে সঙ্গে নিয়েই এসেছিলেন তিনি। ছেলেকে কোলে নিয়েই তিনি দাঁড়িয়েছিলেন ব্যালকনিতে। হঠাৎই হাই হিলের ব্যালেন্স হারিয়ে ফেলেন ফেমিদা। টাল সামলাতে না পেরে হাত থেকে নিচে পড়ে যায় ছেলে।

Advertisement

[ প্রধান বিচারপতিকে ইমপিচমেন্ট, নায়ডুর সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে কংগ্রেস ]

সঙ্গে সঙ্গে ছেলেটিকে কল্যাণের রুক্মিণীবাঈ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। একতলা থেকে পড়ে যাওয়ায় ভাল রকম আঘাত পেয়েছিল শিশুটি। হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, মহাত্মা ফুলে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

[ থাকেন ভারতে, তবু ভুটান থেকে পেট্রল-ডিজেল কেনেন এই অঞ্চলের মানুষরা ]

ছেলেটির নাম মহম্মদ শেখ। তার মা ফেমিদা, গৃহবধূ। মহম্মদের বাবা উল্লাস নগরের একটি দোকানে কাজ করেন। এবছর ফেব্রুয়ারিতে দুর্ঘটনাবশত একটি শিশুর মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসে। তার বয়স ছিল ৪ বছর। বাড়িতে যখন বাবা-মা ছিল না, তখন সে ব্যালকনিতে চেয়ার টেনে নিয়ে আসে। তার উপর উঠে দাঁড়ায়। হঠাৎই পা ফসকে দশ তলা থেকে পড়ে যায় সে। তার বাবা-মা শিশুর দেহ ময়নাতদন্ত করাতে অস্বীকার করে। তার দেহ হিন্দোল নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। এটি নিছকই দুর্ঘটনা বলে শিশুর বাবা-মা পুলিশকে জানিয়েছিল। তবে এদিন যেভাবে দুধের শিশুর মৃত্যু হল তা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না অনুষ্ঠানে আসা অন্যান্যরাও।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.