Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৮ জুলাই ২০২৬

মুম্বই বিস্ফোরণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড আবু সালেমের

মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে তাহির মার্চেন্ট, ফিরোজ খানকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৭, ০৭:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৭, ০৭:২৭

options
link
মুম্বই বিস্ফোরণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড আবু সালেমের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুম্বই বিস্ফোরণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত কুখ্যাত ডন আবু সালেম ও করিমুল্লাহকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দিল আদালত। মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে তাহির মার্চেন্ট, ফিরোজ খানকে। জুন মাসেই মুম্বই বিস্ফোরণ মামলায় কুখ্যাত আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন আবু সালেমকে দোষী সাব্যস্ত করে মুম্বইয়ের বিশেষ ‘টাডা’ আদালত। এছাড়াও, দোষী সাব্যস্ত করা হয় কুখ্যাত গ্যাংস্টার ফিরোজ খান, করিমুল্লাহ খান, তাহের মার্চেন্ট, মুস্তাফা দোসা, রিয়াজ সিদ্দিকিকেও। ১৯৯৩-এর ধারাবাহিক বিস্ফোরণে রক্তাক্ত হয়েছিল বাণিজ্যনগরী। প্রাণ হারিয়েছিলেন প্রায় ২৫৭ জন নিরীহ মানুষ, আহত হন ৭১৩ জন। জানা যায়, ওই নৃশংস হামলার পিছনে হাত ছিল দাউদ ইব্রাহিম ওরফে ‘ডি কোম্পানি’র।

[মুম্বই বিস্ফোরণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত মুস্তাফা দোসার রহস্যমৃত্যু]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ওই বিস্ফোরণের তদন্তের পর দফায় দফায় দাউদ, আবু সালেম থেকে শুরু করে বলিউড তারকা সঞ্জয় দত্ত-সহ অন্যান্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রুজু হয়। শুক্রবার ‘টেররিস্ট এন্ড ডিসরাপটিভ অ্যাকটিভিটিস’ বা টাডা আদালত আবু সালেম-সহ, মুস্তাফা দোসা, ফিরোজ খান, রিয়াজ সিদ্দিকি, করিমুল্লাহ শেখ, মহম্মদ তাহির মার্চেন্ট ওরফে তাহির টাকলেয়া ও আবদুল কায়্যুম নামের সাত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চলা মামলায় রায় ঘোষণা করলেন বিচারপতি জি এ সানাপ। এই মামলার সওয়াল জবাব সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল ২০১৬ সালেই। তৎকালীন সরকারি কৌঁসুলি দীপক সালভি অভিযুক্তদের কড়া শাস্তির আবেদন জানিয়েছিলেন।

[ক্রমশ এগোচ্ছে চিনা সেনা, সতর্ক করলেন সেনাপ্রধান রাওয়াত]

মুম্বই বিস্ফোরণ মামলার প্রথম দফার শুনানি সম্পূর্ণ হয় ২০০৭ সালে। ওই মামলায় বিশেষ টাডা আদালত ১০০ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে। যদিও অভিযুক্তরা রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে, তবে তা খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত। ওই মামলায় সঞ্জয় দত্তের পাঁচ বছরের জেলের সাজা হয় ও ষড়যন্ত্রকারী ইয়াকুব মেমনকে ২০১৫ সালে ফাঁসি দেওয়া হয়। তবে এখনও দাউদ ইব্রাহিম, টাইগার মেমন-সহ একাধিক অভিযুক্ত অধরা। দেরিতে হলেও সুবিচার পেয়ে খুশি হামলায় নিহতদের পরিবার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.