Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬

শশী থারুরের মুখে কালি মাখালেই মিলবে ইনাম, কেন এমন ঘোষণা সংখ্যালঘু নেতার?

শশী থারুরের উপর ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০১৮, ২০:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০১৮, ২০:০১

options
link
শশী থারুরের মুখে কালি মাখালেই মিলবে ইনাম, কেন এমন ঘোষণা সংখ্যালঘু নেতার? zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শশী থারুরের মুখে কালি মাখাতে পারলে মিলবে কিনা নগদ ১১ হাজার টাকা! সম্প্রতি এমনই ঘোষণা হয়েছে উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ে। সেখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক নেতা এই ঘোষণা করেছেন।

সম্প্রতি শশী থারুর একটি বিতর্কিত মন্তব্য করেন। কংগ্রেস নেতা বলেন, “যেভাবে ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র গড়ার দিকে এগোচ্ছে বিজেপি, তাতে আগামী লোকসভা নির্বাচনে জিতলে তারা নিজেদের সর্বেসর্বা মনে করবে। গণতান্ত্রিক দেশের সংবিধান বলতে আমরা যা বুঝি, তা হয়তো আর বেঁচেবর্তে থাকবে না। নিজেদের সুবিধামতো দেশের সংবিধানেও আমূল পরিবর্তন আনবে বিজেপি। সেই বিকৃত সংবিধানের উদ্দেশ্যই হবে ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করা। একই সঙ্গে সংখ্যালঘুদের সমানাধিকার হরণ করা। এই নয়া সংবিধান ভারতকে হিন্দু পাকিস্তানে পরিণত করবে।”

Advertisement

দাউদ ঘনিষ্ঠ ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ জঙ্গিকে পকিস্তানের হাতে তুলে দিল আমিরশাহী ]

থারুরের এই কথার পরিপ্রেক্ষিতেই ১১ হাজার টাকা ইনাম ঘোষণা করেন মহম্মদ আমির রশিদ। তিনি আলিগড় মুসলিম ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেছেন, শশী থারুর শুধু হিন্দু নয়, মুসলিম সম্প্রদায়ের ভাবাবেগেও আঘাত করেছেন। “হিন্দু-মুসলিম সংহতি আমাদের ঐতিহ্য। থারুর এটা ভাঙতে চাইছেন। এই ধরণের মন্তব্য করার জন্য দেশের মানুষ তাঁকে বা তাঁর দলকে কখনও ক্ষমা করবে না।” থারুরের এই বক্তব্যের হিসাব ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসকে চোকাতে হবে বলেও সতর্ক করেন রশিদ।

মোদিকে পাক রাষ্ট্রপতি জিয়াউল হকের সঙ্গে তুলনা, বিতর্কে দিগ্বিজয় সিং ]

থারুরের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় রাজনীতির অন্দরমহলে শুরু হয় বিতর্ক। সেই বিতর্ক উসকে দিয়ে বিজেপির মুখপাত্র সম্বিত পাত্র পালটা তোপ দাগেন। বলেন, “শশী থারুরের এহেন লাগামছাড়া বক্তব্যের জন্য কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকে অবশ্যই ক্ষমা চাইতে হবে। পাকিস্তান তৈরির দায় কংগ্রেসকেই নিতে হবে। কংগ্রেসের উচ্চাকাঙ্ক্ষার পরিণতি পাকিস্তান। ফের নতুন করে বিশ্বের দরবারে ভারতকে নিচু দেখানোর পাশাপাশি দেশের হিন্দুদের সম্মানহানি করার দিকে এগোচ্ছে কংগ্রেস।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.