সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (CAA) প্রতিবাদে বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে গোটা দেশ। উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম, আইনের বিরোধিতায় গণ আন্দোলনে পথে নেমেছেন অসংখ্য মানুষ। কিন্তু একাধিক জায়গায় আন্দোলন হিংসার রূপ নিয়েছে। জনতা-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধে উত্তরপ্রদেশেই কমপক্ষে ১৪ জনের প্রাণ গিয়েছে। একই পরিস্থিতি মোদির রাজ্য গুজরাটেও। বৃহস্পতিবার উত্তাল আহমেদাবাদের শাহ-এ-আলম এলাকায় বিক্ষোভকারীরা হামলা করে পুলিশের উপর। উন্মত্ত জনতার রোষের হাত থেকে পুলিশকর্মীদের বাঁচিয়ে ‘হিরো’ সাত মুসলিম যুবক।
বৃহস্পতিবার শাহ-এ-আলম এলাকার ওই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সেদিন গুজরাট বনধের ডাকে সাড়া দিয়ে রাস্তায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল বহু মানুষ। সেইসময় পুলিশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করতেই পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। জনতা-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধ বাধে। পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর, পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথরবৃষ্টি শুরু হয়। পাথরের আঘাত থেকে বাঁচতে স্থানীয় একটি দোকানে আশ্রয় নেন চার পুলিশকর্মী। ভিডিও দেখা গিয়েছে, একটি প্লাস্টিকের চেয়ার মুখের সামনে তুলে নিজেকের বাঁচানোর চেষ্টা করছিলেন এক পুলিশকর্মী। ঠিক তখনই ভিড় ঠেলে দুহাত উপরে তুলে ছুটে আসেন যুবক। উন্মত্ত জনতাকে শান্ত করার জন্য হাত নেড়ে আবেদন করেন।
[আরও পড়ুন: ‘ভারতের নাগরিকত্ব চাই না’, CAA নিয়ে সুর চড়ালেন পাকিস্তানি হিন্দুরা]
তাঁর সঙ্গে যোগ দেন আরও তিনজন। এদের মধ্যে একজন একটি বেঞ্চ তুলে পুলিশকর্মীকে আড়াল করার চেষ্টা করেন পাথরবৃষ্টি থেকে। আরও একজন জাতীয় পতাকা দেখিয়ে জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। শেষপর্যন্ত সাত মুসলিম যুবক পুলিশকর্মীদের ক্ষিপ্ত জনতার হাত থেকে বাঁচিয়ে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেন।
[আরও পড়ুন: CAA বিক্ষোভে উত্তাল যোগীর রাজ্য, অশান্ত লখনউয়ে যাচ্ছে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল]
সর্বশেষ খবর
-
রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে ইস্তফা আলাপনের স্ত্রীর! সোনালি চক্রবর্তীর পদক্ষেপ ঘিরে জল্পনা
-
শৈশবের ট্রমা সহজে কাটে না! প্রভাব পড়তে পারে প্রেমের সম্পর্কেও, বোঝা যায় এই লক্ষ্মণেই
-
সপ্তাহে ২ দিন হাওড়ার মঙ্গলাহাটে হকারদের বসার অনুমতি, শর্ত বেঁধে দিল প্রশাসন
-
এবার রাডারে অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার এফসি, ‘টাকা আসত কোথা থেকে?’, প্রশ্ন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথের
-
উন্নত রাডারেও অদৃশ্য! চিন-পাকিস্তানের চিন্তা বাড়িয়ে ভারতকে সু-৫৭-এর প্রস্তাব পুতিনের