Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৮ জুলাই ২০২৬

পোখরানে নয়া মারণাস্ত্র ‘ফায়ার অ্যান্ড ফরগেট’ পরীক্ষা করতে চলেছে ভারত

শত্রুর উপর বিষ ঢালতে তৈরি ভারতের 'নাগ'।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৭, ০৮:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৭, ০৮:৩৫

options
link
পোখরানে নয়া মারণাস্ত্র ‘ফায়ার অ্যান্ড ফরগেট’ পরীক্ষা করতে চলেছে ভারত zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতীয় সেনার হাতে নয়া ক্ষেপণাস্ত্র তুলে দিতে চলেছে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন বা ডিআরডিও। থার্ড জেনারেশনের ‘ফায়ার অ্যান্ড ফরগেট’ অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল ‘প্রসপিনা’-কে আগে ‘নাগ’ বলে ডাকা হত। এবার সেই প্রসপিনা মিসাইলকে রাজস্থানের রুক্ষ জমিতে পরীক্ষা করে দেখতে তৈরি ভারত।

[এখনও মোবাইলে আধার লিঙ্ক করাননি? বন্ধ হতে পারে পরিষেবা!]

এর আগে চলতি বছরের জুন মাসে জয়সলমেরের চন্দন ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে এই অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল সাফল্যের সঙ্গে পরীক্ষায় উতরে গিয়েছিল। আর এবার চূড়ান্ত পরীক্ষার মুখে এই মারণ ক্ষেপণাস্ত্র। দ্রুতই সেনাবাহিনীর কর্তাদের সামনেই পুরোদমে চলবে টেস্ট ফায়ারিং। গতবারের তুলনায় এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা আরও বেড়েছে। সঙ্গে বসানো হয়েছে ইনফ্রারেড প্রযুক্তিও। রাজস্থানের চূড়ান্ত গরমে এই মিসাইল পরীক্ষা করার অন্যতম কারণ হল, লক্ষ্যবস্তুকে চোখে দেখতে না পাওয়া গেলেও স্রেফ উত্তাপের উপর ভিত্তি করে কতটা নিখুঁত হামলা করতে পারে প্রসপিনা, সেটাই দেখে নেওয়া। পোশাকি ভাষায় একে বলে ‘হিট সেন্সিং’ টেকনোলজি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নয়া নাগ বা প্রসপিনা মিসাইলে বসানো হয়েছে একগুচ্ছ নয়া প্রযুক্তি। হাই রেজলিউশন ইমেজিং ইনফ্রারেড রাতের অন্ধকারেও দুশমনের ঘাঁটিতে সফলভাবে হামলা চালাতে পারবে। বিকানিরে পরীক্ষার সময় এই মিসাইল এতটা মারাত্মক ছিল না, বলছেন খোদ ডিআরডিও-র বিজ্ঞানীরাই। এই মিসাইলের ‘হাই সেনসিটিভ ডিটেকটরস’ হামলার টার্গেটকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করে নেয়। টার্গেটকে, যেখান থেকে নিশানা করা হচ্ছে, সেই জায়গা থেকে টার্গেটের দূরত্বকে ও টার্গেটের আশেপাশে কী রয়েছে-সেটাকে। যার ফলে লক্ষ্যবস্তু ছাড়া অন্য কোনও অদরকারি বস্তুকে হামলা করে মিসাইলটি নষ্ট হওয়ার সুযোগ নেই বললেই চলে। বিশেষভাবে তৈরি ইনফ্যান্ট্রি কমব্যাট ভেহিক্যালে এই মিসাইল বসানো হবে। দিনের আলোয় বা রাতের অন্ধকারে- যে কোনও পরিস্থিতিতে ৪ কিলোমিটার দূরের টার্গেটকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে পারে নাগ বা প্রসপিনা।

[সোপিয়ানে খতম হিজবুল নেতা, আত্মসমর্পণ লস্কর জঙ্গির ]

missile

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.