Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

পুরুষ সেজে জোড়া বিয়ে, পণ আদায়ে অভিনব প্রতারণার ছক তরুণীর

দুই বউ চিনতে পারলেন না তাঁকে? এও সম্ভব!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৮, ১০:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৮, ১০:০৭

options
link
পুরুষ সেজে জোড়া বিয়ে, পণ আদায়ে অভিনব প্রতারণার ছক তরুণীর zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বভাবে ‘টমবয়’ গোছের। আদতে মহিলা। কিন্তু ব্যবহারে হাবেভাবে পুরোদস্তুর পুরুষ। সেই স্বভাবকে কাজে লাগিয়েই দু’বার বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন সুইটি সেন। পণের লোভে দুই মহিলাকেই বিয়ে করেছেন তিনি। সুইটির এই কাজে তাজ্জব পুলিশ।

[ নজরে পড়ার আগেই দেশে ছেড়ে চম্পট মোদির, বাজেয়াপ্ত ৫১০০ কোটির সম্পত্তি ]

Advertisement

উত্তরপ্রদেশের বিজনোরের বাসিন্দা সুইটি সেন। বরাবরই ছেলেদের মতো হাবভাব। বছর চারেক আগে থেকে নিজেকে পুরোদস্তুর পালটে ফেলেন। ছেলেদের মতোই পোশাক পরা শুরু করেন। বদলে ফেলেন চালচলনও। কিন্তু শুধু এতেই ক্ষান্ত হননি তিনি। নিজের নাম পালটে কৃষ্ণ সেন হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি অ্যাকাউন্ট খোলেন। নিজেকে শিল্পপতির ছেলে হিসেবে পরিচিত দিতেন। এখান থেকেই শুরু হল খেলা। উচ্চবিত্ত বাবার ছেলে হিসেবে একের পর এক মহিলার সঙ্গেই শুরু করেন প্রেমালাপ। পুরুষ ভেবে তাঁর প্রেমে পড়েন এক মহিলা। সুইটি ওরফে কৃষ্ণ তাঁকে বিয়েও করেন। জানা যাচ্ছে, ওই মহিলার নাম কামিনী। বিয়ের পর থেকে কামিনীকে মারধরও করতেন সুইটি। লক্ষাটিক টাকা পণ আদায়ের জন্য কামিনীর উপর চাপও দিতেন। এরপর বেশ কিছুদিন গড়ালে কামিনীর থেকে মন উঠে যায় সুইটির। তাঁর বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন আর এক মহিলা, নাম নিশা। সুইটির নজর গিয়ে পড়ে তাঁর উপর। পরে একই ছকের পুনরাবৃত্তি। নিশাকেও বিয়ে করেন তিনি। আশ্চর্যজনকভাবে একটি ভাড়া বাড়িতে দুই বউকেই নিয়ে আসেন সুইটি ওরফে কৃষ্ণ। নিশার থেকেও টাকা আদায়ের জন্য চাপ বাড়াতে থাকে সুইটি। তারপরই পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা। ফাঁস হয় পুরো ঘটনা।

মাত্র ৪ সেকেন্ড! হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল দোতলা বাড়ি ]

কিন্তু প্রশ্ন হল, বিয়ের পরও দুই মহিলা সুইটির স্বরূপ বুঝতে পারলেন না কেন? প্রথম স্ত্রী কামিনী জানাচ্ছেন, আচরণে সুইটি ছিলেন অবিকল পুরুষের মতোই। এমনকী অত্যাচারও করতেন। কিন্তু কখনওই তাঁর শরীরে হাত দিতে দিতেন না। যৌনতার জন্য সেক্স টয়ই ছিল তার পছন্দের। তাঁর সন্দেহ হয়েছিল। কিন্তু তিনি কোনও অভিযোগ দায়ের করেননি। দ্বিতীয় স্ত্রী নিশা অবশ্য বুঝতে পেরেছিলেন যে কৃষ্ণ আসলে পুরুষ নন। পুলিশ জানিয়েছে, পরীক্ষার পর জানা গিয়েছে সুইটি একজন নারীই। কিন্তু তা শুধু শরীরে। বাকি সবকিছুই পুরুষের মতো। ছোট থেকেই ছেলেদের মতো সবকিছুতেই অভ্যস্ত হয়েছে সে। তা থেকেই মহিলাদের বিয়ে করার কথা সম্ভবত তাঁর মাথায় আসে। তবে পণ আদায়ই ছিল লক্ষ্য। কেননা যৌনতার ক্ষেত্রে দুই স্ত্রীরই নাগালের বাইরে থাকতেন সুইটি। আপাতত সুইটিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মৃত সন্তানের বীর্যে জন্ম যমজের, দাদু-ঠাকুমা হওয়ার স্বপ্নপূরণ দম্পতির ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.