Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Narayan Murthy

‘কৃষক, শ্রমিকদের কাছে কৃতজ্ঞ থাকুন’, সপ্তাহে ৭০ ঘণ্টা কাজ নিয়ে ‘শিক্ষিত’দের খোঁচা নারায়ণমূর্তির

দেশের বঞ্চিতরা সাংঘাতিক পরিশ্রম করে বলেই শিক্ষিতদের বেশি কাজ করতে হয় না, মত শিল্পপতির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৫, ২০২৪, ১৪:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৫, ২০২৪, ১৪:৫৫

options
link
‘কৃষক, শ্রমিকদের কাছে কৃতজ্ঞ থাকুন’, সপ্তাহে ৭০ ঘণ্টা কাজ নিয়ে ‘শিক্ষিত’দের খোঁচা নারায়ণমূর্তির zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের বঞ্চিতরা সাংঘাতিক পরিশ্রম করে বলেই শিক্ষিতদের বেশি কাজ করতে হয় না। সপ্তাহে ৭০ ঘণ্টা কাজের নিদানের হয়ে আরও সুর চড়ালেন ইনফোসিস প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণমূর্তি (Narayana Murthy)। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সপ্তাহে ৭০ ঘণ্টা করে কাজের নিদান দিয়ে সোশাল মিডিয়ায় ব্যাপক ট্রোলের শিকার হয়েছেন। কিন্তু নিজেই কর্মজীবনে ৮৫ থেকে ৯০ ঘণ্টা কাজ করেছেন প্রতি সপ্তাহে। তাই নিজের মতামত থেকে মোটেও সরবেন না তিনি।

বিখ্যাত শিল্পপতি নারায়ণমূর্তি বলেছিলেন, “ভারতের কর্ম-উৎপাদনশীলতা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম। আমার মতে তরুণদের অবশ্যই বলা উচিত, এটা আমার দেশ। আমি ৭০ ঘণ্টা কাজ করতে চাই।” প্রসঙ্গে জার্মানি ও জাপানের উদাহরণও তুলে ধরেছেন তিনি। এই মন্তব্য করার পরেই বিতর্কের শিরোনামে উঠে আসেন নারায়ণমূর্তি। প্রস্তাবের পক্ষে-বিপক্ষে মতামত দিয়েছেন একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সোমালি জলদস্যুদের কবজায় বাণিজ্যতরী, বন্দি ১৫ ভারতীয়, অভিযান শুরু নৌসেনার]

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে এই বিতর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হয় নারায়ণমূর্তিকে। তাঁর সাফ উত্তর, “কৃষক, কারখানার শ্রমিকরা কঠিন পরিশ্রম করেন। দেশের অধিকাংশ মানুষই এই কঠোর পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তাই আমরা যারা বিনামূল্যে, ভর্তুকি নিয়ে পড়াশোনা করে এসেছি, তাদের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত এই কঠিন পরিশ্রমীদের কাছে। পশ্চিমি দেশগুলোতে আমার যে বন্ধুরা থাকে, তারাও আমার সঙ্গে সহমত।”

ইনফোসিস (Infosys) প্রতিষ্ঠাতা আরও বলেন, “আমি নিজেই নিয়মিত প্রতি সপ্তাহে ৮৫ থেকে ৯০ ঘণ্টা কাজ করেছি। নিজে প্রয়োগ না করে কখনই অন্যদের পরামর্শ দিই না আমি। সপ্তাহে সাড়ে ৬দিন আমি অফিসেই থাকতাম। সকাল ৬টায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে ২০ মিনিটের মধ্যে অফিসে পৌঁছে যেতাম। আবার রাত সাড়ে আটটার সময়ে বেরতাম অফিস থেকে।” উল্লেখ্য, বিতর্কের মধ্যে স্বামীর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন সুধা মূর্তিও। তিনিও সাফ বলেন, সপ্তাহে ৯০ ঘণ্টা ধরে কাজ করার প্রথা রয়েছে পরিবারে।

[আরও পড়ুন: কলকাতা জাদুঘরে বোমাতঙ্ক, বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ‘জঙ্গি সংগঠনের’]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.