দাবি, অগ্নিবীর প্রকল্পে যেন নেপালকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এমন দাবি তুলে নেপালি তরুণরা নেমেছেন রাজপথে। তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন প্রাক্তন গোর্খা সৈন্য ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরাও। বলে রাখা ভালো, ভারতীয় সেনায় রয়েছে গোর্খা রেজিমেন্ট। কিন্তু ২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে অতিমারী হানা দেওয়ার পর গোর্খা রেজিমেন্টে নিয়োগ স্থগিত রাখা হয়। এখনও সেই নিয়োগ শুরু হয়নি। এর মধ্যেই এই আন্দোলন দেখা গেল নেপালে।
উল্লেখ্য, সেনাবাহিনীর লোকবল অক্ষুন্ন রেখে আধুনিকীকরণের স্বার্থে অগ্নিপথ প্রকল্পের ঘোষণা করেছিল কেন্দ্র। এর মাধ্যমে সেনায় স্বল্প মেয়াদে ৪ বছরের জন্য কর্মী নিয়োগ করা হয়। যাদের পোশাকি নাম ‘অগ্নিবীর’। ২০২২ সালে এই প্রকল্প শুরু হয়। চার বছরের মেয়াদ শেষে ২৫ শতাংশ অগ্নিবীরকে স্থায়ী নিয়োগ করা হবে। বাকি ৭৫ শতাংশ ‘সেবা নিধি’ প্যাকেজের আওতায় এককালীন ১১ লাখ ৭১ হাজার টাকা পাবেন। এই অর্থ করমুক্ত। এই প্রকল্পেই এবার যুক্ত হতে চাইছেন নেপালের তরুণরা।
আরও পড়ুন:
বলে রাখা ভালো, ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার সময় ভারত সিদ্ধান্ত নেয় গোর্খা রেজিমেন্ট বিলুপ্ত না করার। একই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ব্রিটেনও। যা আজও বলবৎ। তাই কেবল ভারতীয় সেনাতেই নয়, ব্রিটিশ সেনাতেও এখনও রয়েছে গোর্খা রেজিমেন্ট। এবং এর নেপথ্যে রয়েছে একটি ত্রিপাক্ষিক চুক্তিও। ভারতীয় সেনার ৭টি গোর্খা রেজিমেন্টের ৩৯টি ব্যাটেলিয়নে রয়েছেন ৩২ হাজার নেপালি সেনা। অন্যদিকে ব্রিটেনের গোর্খা রেজিমেন্ট কর্মরত চার হাজারের সামান্য বেশি নেপালি সেনা।
রবিবার ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরজ শেঠ নেপাল সফরে যাচ্ছেন। আর সেই সময়ই নেপালের পোখারায় রাজপথে নেপালি তরুণরা। ‘অগ্নিবীর’ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার দাবি জানিয়ে। নেপালে কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত। এই পরিস্থিতিতে ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্পের আওতায় ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে আগ্রহী নেপালি তরুণরা। কিন্তু নেপাল প্রশাসন তরুণদের এহেন দাবি মানতে নারাজ। তাঁদের দাবি, অগ্নিবীর প্রকল্প ১৯৪৭ সালে নেপাল, ভারত ও ব্রিটেনের মধ্যে স্বাক্ষরিত ত্রিপাক্ষিক চুক্তির পরিপন্থী।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ধনঞ্জয় ফাঁসির ২২ বছর! ‘বিচার মেলেনি’, মামলার পুনঃতদন্তের দাবিতে ফের মিছিল বাঁকুড়ার গ্রামে
-
খোলা হল শ্যামাপ্রসাদের নামের বোর্ড, রামপুরহাটে ফের নেতাজির নামে ফিরল রাস্তা!
-
পাঁচ টাকার কয়েনে নেতাজি, নোটে ভারতমাতার প্রতিকৃতি! অসামান্য সৃষ্টি নবম শ্রেণির পডুয়ার
-
দেবের ‘দাদাগিরি’তে ধুন্ধুমার, একমঞ্চে সজল-কুণাল-মদন!
-
প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির নতুন সিলেবাস, পাঠ্যক্রমে বদল আনতে তৎপর সিলেবাস কমিটি