Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬

‘ফাস্টেস্ট উওম্যান ক্যাশিয়ার’কে নিয়ে ঠাট্টা করে পস্তাচ্ছে নেটদুনিয়া

যেমন শুধু প্রচ্ছদ দেখে কোনও বই সম্পর্কে ধারণা গড়ে তোলা উচিত নয়, সে নিয়ম যেন সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষেত্রেও খাটে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০১৬, ১৯:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০১৬, ১৯:৪০

options
link
‘ফাস্টেস্ট উওম্যান ক্যাশিয়ার’কে নিয়ে ঠাট্টা করে পস্তাচ্ছে নেটদুনিয়া zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তাঁকে নিয়ে দেদার মশকরা করেছে নেটদুনিয়া। ব্যাঙ্কের কাউন্টারে বসে কাজ করছিলেন তিনি। সে ভিডিও ব্যাপক ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে। তাঁর ধীরগতির কাজ দেখে জমা পড়েছিল বহু মন্তব্য। চলছিল দেদার মজা, মশকরা। কিন্তু সে সবের আসল কারণ জানার পর থেকেই পস্তাচ্ছে নেটদুনিয়া।

সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ধীরগতির কাজের ছবির ভিডিও দিয়েছিলেন এক ব্যক্তি। ব্যাঙ্ক অফ মহারাষ্ট্র-এর পুণে শাখায় কাজ করেন প্রেমলতা শিণ্ডে নামে ওই মহিলা। কাউন্টারে বসে অত্যন্ত ধীর গতিতে তাঁর কাজের সে ভিডিও দেখেছেন লক্ষাধিক মানুষ। সামগ্রিকভাবে ব্যাঙ্কে কত ধীর গতিতে কাজ হয় তারই যেন প্রতিনিধি হয়ে উঠেছিলেন তিনি। আর তাই মন্তব্যের পর মন্তব্য জমা পড়ছিল। সোশ্যাল মিডিয়ার হাওয়ায় তাঁর সম্পর্কে একটা ধারণা তৈরিই হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সেটা ভাঙলেন এক কুন্দন শ্রীবাস্তব নামে এক সমাজকর্মী। ওই মহিলার গল্প তিনি পোস্ট করা মাত্র পস্তাচ্ছেন সকলে। কী সেই নেপথ্য কাহিনি? জানা যাচ্ছে, মহিলা তাঁর স্বামীকে হারিয়েছেন বেশ কয়েকবছর আগেই। একমাত্র সন্তান থাকে বিদেশে। চাকরি করা ছাড়া তাঁর কোনও উপায়ও নেই। এর মধ্যেই দু’বার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে তাঁর। প্যারালাইটিক স্ট্রোকও হয়েছিল। সে সবের পরে কাজ করা প্রায় অসম্ভব ছিল। তবে মনের জোরে আর প্রয়োজনের খাতিরেই তিনি ফের নিজের কর্মক্ষেত্রে ফিরে এসেছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠানও তাঁর এই নিষ্ঠাকে সম্মান জানিয়ে তাঁকে পুনরায় কাজে বহাল করেছে। সমস্ত শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও সাধ্যমতো পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি। আর তা না জেনেই তাঁকে নিয়ে ঠাট্টা করেছে অসংখ্য মানুষ। এ কথা জানার পরই অপরাধবোধে ভুগছে নেটদুনিয়া।

Advertisement

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও যেমন একদিক থেকে অনেক ভালো কাজে লাগছে, তেমন অনেককে অকারণে ভিক্টিমও বানিয়েও তুলছে। এই মহিলার ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। যেমন শুধু প্রচ্ছদ দেখে কোনও বই সম্পর্কে ধারণা গড়ে তোলা উচিত নয়, সে নিয়ম যেন সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষেত্রেও খাটে। এখন সে কথাই হাড়ে হাড়ে বুঝছেন নেটিজেনরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.