Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬

বিমানের শৌচাগারে উদ্ধার সদ্যোজাতর দেহ, চাঞ্চল্য দিল্লি বিমানবন্দরে

মৃত শিশুর মুখে গোঁজা ছিল টয়লেট পেপার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০১৮, ১২:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০১৮, ১২:৪১

options
link
বিমানের শৌচাগারে উদ্ধার সদ্যোজাতর দেহ, চাঞ্চল্য দিল্লি বিমানবন্দরে zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লিতে এয়ার এশিয়ার বিমানে সদ্যোজাতর দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল। বুধবার ইম্ফল থেকে ভায়া গুয়াহাটি হয়ে বিমানটি দিল্লি আসে। অবতরণের পর বিমানের কর্মীরাই শৌচাগারে মৃতদেহটিকে দেখতে পান। বিমানের শৌচাগারে দেহটি পড়েছিল। মুখের মধ্যে ছিল টয়লেট পেপার। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। সদ্যোজাতর পরিচয় জানতে বিমানের যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

[ভাগলপুর স্টেশনে হাওড়া-গয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেনে থেকে উদ্ধার ৭৬টি রিভলভার]

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, মৃত সদ্যোজাতর মা নাবালিকা। সে ওই ফ্লাইটেই ছিল। তবে এখনও তাকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি। এদিকে বিমানেই যে শিশুটির জন্ম হয়েছিল সদ্যোজাতকে পরীক্ষা করেই চিকিৎসকরা তা জানিয়ে দিয়েছেন। নাবালিকাকে খুঁজে বের করতে শুরু হয়েছে তদন্ত। তারপরেই বিমানে যাত্রীদের তালিকা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ইম্ফল থেকেই সম্ভত বিমানে ওঠেন নাবালিকা-সহ তার পরিবার। যাত্রীদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। অনুমান, বিমানের শৌচাগারেই শিশুটির জন্ম দেয় নাবালিকা মা। তারপর অন্যান্য যাত্রীদের নজর এড়াতে সেখানেই সদ্যোজাতকে ফেলে চলে আসে। বাচ্চার চিৎকার আটকাতে মুখে টয়লেট পেপাড় গুঁজে দেওয়া হয়। মূলত দমবন্ধ হয়েই একরত্তির মত্যু হয়েছে। কীভাবে বিমানের শৌচাগারে প্রসূতি সন্তানের জন্ম দিল আর বিমানের কর্মীদের তা চোখ এড়িয়ে গেল, তা নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

Advertisement

বিমান সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, মাঝ আকাশেই শিশুটির জন্ম হয়েছে। এরপরেই দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণের পর চিকিৎসকদের একটি দলকে ডেকে পাঠানো হয়। চিকিৎসকরাও জানিয়েছেন বিমানের মধ্যেই ভূমিষ্ঠ হয়েছে শিশুটি। ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সন্দেহভাজন একজনকে আটক করেছে পুলিশ। বিমানের শৌচাগারে শিশুর জন্ম হল আর যাত্রী বা কর্মীদের কেউ জানতেও পারলেন না। এই ঘটনা প্রথম। তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

[রাজধানীতে অনাহারে মৃত্যু একই পরিবারের তিন শিশুর, প্রশ্নের মুখে কেজরিওয়াল সরকার]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.