Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৮ জুলাই ২০২৬

বেডের অভাবে বেঞ্চেই প্রসব, পড়ে মৃত্যু সদ্যোজাতর

সরকারি হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৭, ১২:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৭, ১২:১৮

options
link
বেডের অভাবে বেঞ্চেই প্রসব, পড়ে মৃত্যু সদ্যোজাতর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  বেড নেই। সেই সমস্যা ঢাকতে প্রসবের সময় হয়নি বলে ভরতি নেওয়া হল না সন্তানসম্ভবাকে। বাইরে বেঞ্চে বসেই অপেক্ষা করতে করতে প্রসব করলেন মহিলা। আর যথাযথ পরিষেবার অভাবে বেঞ্চ থেকে পড়ে মৃত্যু হল নবজাতকের। এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে তেলেঙ্গানার খাম্মাম জেলার সরকারি হাসপাতালে।

[স্কুলের ফি জমা পড়েনি, শ্রেণিকক্ষে ‘বন্দি’ নার্সারির পড়ুয়া!]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

হাসপাতালে নাকি বেড নেই। তার উপর প্রসূতির সময় হয়নি প্রসবের। অজুহাত ছিল একের পর এক। বেঞ্চে প্রসব করার পরেও কোনও হাসপাতাল কর্মীর দেখা মেলেনি বলে অভিযোগ মৃত শিশুর বাবার। কার্যত বিনা চিকিৎসায় পড়ে গিয়ে প্রাণ হারাল সদ্যোজাত।

[মা-বাবার চোখের সামনেই রিক্সা থেকে নর্দমায় পড়ে মৃত্যু একরত্তি মেয়ের]

পাল্লেগুদাম জেলার বাসিন্দা বছর কুড়ির ওই মহিলার প্রসব যন্ত্রণা উঠলে তাকে নিয়ে সরকারি হাসপাতালের দ্বারস্থ হয় পরিবার। কিন্তু আসন খালি নেই এই অজুহাতে বাইরেই বসিয়ে রাখা হয় তাঁকে। ক্রমশ শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে তাঁর। তখনও সাহায্যের জন্য কেউ এগিয়ে আসেনি বলে অভিযোগ তাঁর স্বামী এন রাজাইয়াহের। তার উপর না পরীক্ষা করেই চিকিৎসক জানিয়ে দেন প্রসব যন্ত্রণা উঠলেও, এখনও প্রসবের জন্য সময় আছে। তবুও হাসপাতাল চত্ত্বরেই বসে থাকেন রোগী ও তার পরিবার। মধ্যরাতে ফের প্রসবযন্ত্রণা উঠলে এক সুস্থ শিশুর জন্ম দেন ওই মহিলা। কিন্তু বেঞ্চে শুয়ে থাকার দরুণ শিশুটি মাটিতে পড়ে যায়। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। তখনও কোনও চিকিৎসকের দেখা মেলেনি।

[রাম রহিমের ডেরায় যথেচ্ছ অবৈধ গর্ভপাত, তদন্তে প্রশাসন]

তবে এই গোটা ঘটনার দায় অস্বীকার করেছেন সরকারি হাসপাতালের সুপার মদন সিং। হাসপাতালের বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ আনা হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন। তবে ওই মহিলার প্রি ম্যাচিওর ডেলিভারি হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন তিনি। এরই সাথে চিকিৎসকদের কোনও গাফিলতি ছিল না বলেও এদিন সাফাই দিয়েছেন তিনি। তবে প্রসব করাতে গিয়ে ওই মহিলার প্রাণহানির আশঙ্কা ছিল বলে মেনে নিয়েছেন তিনি। তাহলে কোনও চিকিৎসকের দেখা কেন মিলল না, বা ওই মহিলাকে পরীক্ষা কেন করা হলনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এসব দোষারোপ-পালটা দোষারোপের টানাপোড়েনের মাঝে নবজাতকের মৃত্যু প্রশ্ন তুলছে সরকারি হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.