Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

স্বামী অসীমানন্দকে খালাস দিয়েই পদত্যাগ বিচারকের, তুঙ্গে বিতর্ক

কেন এই সিদ্ধান্ত? প্রশ্ন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২০, ২০১৮, ১৮:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২০, ২০১৮, ১৮:১০

options
link
স্বামী অসীমানন্দকে খালাস দিয়েই পদত্যাগ বিচারকের, তুঙ্গে বিতর্ক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মক্কা মসজিদে বিস্ফোরণে অভিযুক্তদের বেকসুর খালাস ঘোষণা করেছিলেন তিনি। ঠিক তার পরদিনই পদত্যাগ করলেন এনআইএ স্পেশাল কোর্টের বিচারক কে রবিন্দর রেড্ডি। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়েই পদ ছেড়েছেন তিনি। যদিও তাঁর এই সিদ্ধান্ত বিতর্কের ঝড় তুলেছে রাজনৈতিক মহলে।

 ‘হিন্দু সন্ত্রাস’ তত্ত্ব খারিজ, মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণে বেকসুর খালাস স্বামী অসীমানন্দ ]

Advertisement

২০০৭-এ মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণে অভিযুক্তরা প্রত্যেকেই বেকসুর খালাস পেয়েছিলেন। তার মধ্যে ছিলেন স্বামী অসীমানন্দও। হাই ভোল্টেজ এই মামলার সঙ্গে জড়িয়ে ছিল হিন্দু সন্ত্রাস তত্ত্বও। যদিও মামলার রায়ে সেই তত্ত্বও প্রমাণিত হয়নি। স্বামী অসীমানন্দের পক্ষের আইনজীবী জে পি শর্মা জানাচ্ছেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণই দাখিল করতে পারেনি এনআইএও। ফলে সব অভিযুক্তকেই ছাড় দিয়েছেন বিচারক। কিন্তু ঠিক তার পরেরদিন, অর্থাৎ সোমবার কেন সেই বিচারক পদ ছাড়লেন, তা নিয়ে জোর জল্পনা মাথাচাড়া দিয়েছে। বিচারক নিজে অবশ্য জানাচ্ছেন, ব্যক্তিগত কারণেই তিনি পদ ছেড়েছেন। এর সঙ্গে গতকালের রায়ের কোনও সম্পর্ক নেই। যদিও তাঁর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন আসাদউদ্দিন ওয়েসি। জানিয়েছেন, বিচারকের সিদ্ধান্তে তিনি যারপরনাই তাজ্জব। এর আগে এই রায়েরও তীব্র সমালোচনা শোনা গিয়েছিল ওয়েসির মুখে। জানিয়েছিলেন, এই রায় সঠিক নয়। এনআইএ-র তদন্ত নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এদিন বিচারকের সিদ্ধান্তে তাঁর বিস্ময় আরও বেড়েছে বলেই জানিয়েছেন এই নেতা। সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি টুইট করে জানিয়েছেন, যাঁরা অভিযুক্ত তাঁরা কি সব সোনার টুকরো? বিচারক কেন পদত্যাগ করলেন? বিচারের বাণী নীরবে-নিভৃতে কাঁদছে বলেই দাবি মুখ্যমন্ত্রীর।

এই মামলা চলাকালীন প্রায় ২২৬ জনের বয়ান নেওয়া হয় আদালতে। খতিয়ে দেখা হয় ৪১১টি দলিল। হাইভোল্টেজ মামলাটি নিয়ে রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে চলে তীব্র চাপানউতোর। ওই বিস্ফোরণের পরই ‘হিন্দু সন্ত্রাসবাদ’ তত্ত্ব তুলে ধরেন ইউপিএ সরকারের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীল কুমার শিণ্ডে। বিস্ফোরণের নেপথ্যে আরএসএস ও বিজেপির একাংশ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি। তবে গতকালের রায়ে তা খারিজ হয়ে গিয়েছে। কার্যত কংগ্রেস ও ইউপিএ-এর মুখ পুড়ল বলেই মনে করেছিলেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। এদিন বিচারকের পদত্যাগ আবার পালটা জল্পনা উসকে দিয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.