সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিনি সংবিধানের প্রণেতা। তাঁর নেতৃত্বে তৈরি আইনই আজ দেশের সব আদালত, আইন ব্যবস্থার ভিত্তি। অথচ সেই বিআর আম্বেদকরের ছবিই নাকি লাগানো যাবে না আদালত চত্বরে। এমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাদ্রাজ হাই কোর্ট (Madras High Court)। যা নিয়ে জোর বিতর্ক তামিলভূমে।
আসলে মাদ্রাজ হাই কোর্ট সম্প্রতি সমস্ত নিম্ন আদালতকে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে, কোনও বার অ্যাসোসিয়েশন যদি আদালত চত্বরে বিআর আম্বেদকর (BR Ambedkar)বা অন্য কোনও রাজনৈতিক নেতার ছবি লাগাতে চায়, তাহলে তাদের অনুমতি দেওয়া যাবে না। আদালত চত্বরে শুধু মহাত্মা গান্ধী (Mahatma Gandhi) আর বিখ্যাত তামিল কবি থিরুভাল্লুভারের ছবি লাগানো যাবে।
[আরও পড়ুন: অনলাইন জুয়ার ফাঁদ! ৫ কোটি জিতে ৫৮ কোটি খোয়ালেন ব্যবসায়ী, পলাতক প্রতারক]
কিন্তু কেন এমন সিদ্ধান্ত মাদ্রাজ হাই কোর্টের? আদালত সূত্র বলছে, এর আগে বহুবার দেখা গিয়েছে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মূর্তি ভাঙচুর হচ্ছে। আবার সেই ভাঙচুর করাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। অনেক সময় আবার দেখা যায় ভিন্ন মতে বিশ্বাসী আইনজীবীরাও মূর্তি বসানো বা ছবি লাগানোকে কেন্দ্র করে নিজেদের মধ্যে বিবাদে জড়িয়ে পড়ছেন। যা এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত। আর এই সিদ্ধান্ত কোনও এক বা দু’জন বিচারপতি নেননি, মাদ্রাজ হাই কোর্টের ফুল বেঞ্চের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। শুধু থিরুভাল্লুভার এবং গান্ধীজিকে এর ঊর্ধ্বে রাখা হয়েছে।
[আরও পড়ুন: হিমাচলে দুর্যোগের বলি আরও ৭, একটানা বৃষ্টিতে গুজরাটে ডুবে মৃত্যু অন্তত তিন জনের]
এই প্রথম নয়, বছর দশেক আগেও একবার এই ধরনের সার্কুলার মাদ্রাজ হাই কোর্ট প্রকাশ করেছিল। সেবারেও ভালই বিতর্ক হয়। প্রশ্ন উঠে যায়, শুধু ঝামেলা হওয়ার ভয়ে এভাবে মনিষীদের ছবি না লাগানো কতটা যুক্তিযুক্ত?
সর্বশেষ খবর
-
সিএসকের মালিকানা চান ধোনি, রাজি নয় ম্যানেজমেন্ট! মেজাজ হারিয়ে দল ছাড়ছেন ‘ক্যাপ্টেন কুল’?
-
আইন অমান্যে অশান্তি পাকানোর অভিযোগ, চুঁচুড়ায় গ্রেপ্তার প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক
-
‘আমার যৌবন, বেডরুমে উঁকি দেবেন না’ বলে শাসান কঙ্গনা, রামদেব বললেন, ‘গোটা দেশ জানে…’
-
বছর তিনেক সহবাস দুই মহিলা কনস্টেবলের! বিয়ের জন্য ছুটিও চেয়েছিলেন, আচমকা কেন বাতিল সিদ্ধান্ত?
-
মা হওয়াতেই আপত্তি! মুর্শিদাবাদে ১১ দিনের শিশুকন্যাকে বালতিতে ডুবিয়ে ‘খুন’, গ্রেপ্তার মা