সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের নির্বাচনী নির্ঘণ্টে ফের ব্যালট পেপারের প্রত্যাবর্তন ঘটুক। ৮৪-তম মুক্ত প্লেনারি অধিবেশনে এই দাবি তুলল কংগ্রেস। জনতা জনার্দনের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনতে হলে, অতিতের পথেই হাঁটতে হবে। সমগ্র নির্বাচনী প্রক্রিয়কে স্বচ্ছ রাখতে হলে ইভিএম নয়, ভরসা করতে হবে পুরনো ব্যালট বাক্সকেই।
[পরিষেবা বাড়াতে নয়া মডেলের স্টেশনের ভাবনা রেলের]
অধিবেশনের এক বিশ্লেষণ বার্তায় বলা হয়েছে, ইভিএমে নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ক্ষতিই বেশি হয়েছে। এতে যেমন মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। একইভাবে ইভিএমে কারচুপি করে জয়ের হাওয়া ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর জেরে সাধারণ মানুষ যাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে চেয়েছিল, সে হেরেছে। তার বদলে যাকে চায়নি, সে জয়ী হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে গোটা নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বিশ্বাসযোগ্যতার মাপকাঠিতে ফেলতে পারছে না জনগণ। এর জেরে রাজনৈতিক নেতারও দূরের মানুষ হয়ে যাচ্ছে। এই দূরত্ব কাটাতেই ফের ফিরিয়ে আনতে হবে ব্যালট বাক্স।

যদিও ইভিএমের কারচুপি মানতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। তারপরেও নির্বাচন কমিশনের দরজায় ব্যালট বাক্স ফিরিয়ে আনার দাবি পৌঁছেছে। কংগ্রেসের মুখপাত্রের তরফে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন না মানলেও বিশ্বব্যাপী তথ্য বলছে, ইভিএমে কারচুপি করে জয়ের হাওয়া ঘুরিয়ে দেওয়া যায়। তাই বিজেপির অযৌক্তিক, সঙ্গতিবিহীন রাজনৈতিক তত্ত্ব ছেড়ে ব্যালট বাক্সেই আস্থা রাখতে হবে। তাহলেই জনতা জনার্দন সহায় হবে। এমনটাই দাবি কংগ্রেসের। এদিকে ৮৪-তম মুক্ত প্লেনারি অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে একহাত নিয়েছেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী। সেখানে তিনি মোদিকে ‘ড্রামেবাজ’ বলে কটাক্ষ করেছেন।