সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরই রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা, বিশেষ করে ধর্ষণ রুখতে বদ্ধপরিকর হয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। চালু হয়েছিল অ্যান্টি-রোমিও স্কোয়াড। যোগীর সেই মন্ত্রে মাত্র দুই দিনেই ধরা পড়েছিল প্রায় ৮০০ ‘রোমিও’। কিন্তু এর মধ্যেই উঠেছে অভিযোগ। অভিযোগ, ধরপাকড়ের নামে সাধারণ মানুষকে হেনস্তার।
[শজারু গিলে সাপের গায়ে কাঁটা, ভিডিও দেখলে শিউরে উঠবেন]
একবার নয় একাধিকবার যোগীর অ্যান্টি-রোমিও স্কোয়াডের বিরুদ্ধে উঠেছে এই অভিযোগ। ভাইরাল হয়েছে পুলিশের ‘দাদাগিরি’র ভিডিও। অভিযোগের জেরে এবার সতর্ক হয়েছে প্রশাসনও। কড়া নিয়মের আওতায় এবার আসতে হচ্ছে অ্যান্টি রোমিও স্কোয়াডকেও। শুক্রবার মীরাটের এসএসপি জে রবিন্দর গৌড় এক সর্বভারতীয় সংস্থাকে জানিয়েছেন, প্রত্যেক পুলিশকর্মীকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অযথা যেন সাধারণ মানুষকে বিব্রত না করা হয়। কোনও কারণ ছাড়া যেন যখন-তখন পার্কে ঢুকে যুগলদের হেনস্তা না করা হয়। এমনকী, রাস্তায় ছেলে-মেয়েদের দেখে যেন মন্তব্য করা বা নীতিবাক্য শোনানো না হয়। আর ঘটনাস্থলে শাস্তি তো একেবারেই যেন না দেওয়া হয়। স্কোয়াডের কাজ হচ্ছে শুধুমাত্র ইভ টিজারদের এবং খারাপ অভিসন্ধিওয়ালা মানুষদের ধরা।
[বছর ঘুরলেও ঘুরে দাঁড়াতে পারল না ‘অভিশপ্ত’ বিবেকানন্দ উড়ালপুল]
পুলিশের এক আধিকারিক জানান, বিভিন্ন এলাকায় অ্যান্টি রোমিও স্কোয়াডের সদস্যরা স্কুল ও কলেজের প্রিন্সিপাল ও শিক্ষকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখবেন। যাতে শিক্ষার সুস্থ পরিবেশ বজায় থাকে এবং মহিলা-কিশোরীরা নিরাপদভাবে বাড়িতে ফিরতে পারেন।
[কার ‘পিরিয়ডস’ চলছে, জানতে ৭০ ছাত্রীর নগ্ন তল্লাশি স্কুলেই]