Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
Unemployment

দেশের শহরাঞ্চলে বেকারত্বের হার গত ৫ বছরে সবচেয়ে কম, প্রকাশ্যে রিপোর্ট

গত ত্রৈমাসিকে শহরাঞ্চলে বেকারত্বের হার ৬.৮ শতাংশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৩, ১০:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৩, ১০:১২

options
link
দেশের শহরাঞ্চলে বেকারত্বের হার গত ৫ বছরে সবচেয়ে কম, প্রকাশ্যে রিপোর্ট zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত পাঁচ বছরের নিরিখে দেশের শহরাঞ্চলে বেকারত্বের হার (Urban Unemployment Rate) সাম্প্রতিক অর্থ ত্রৈমাসিকে সর্বনিম্ন। ২৯ মে ‘পিরিওডিক লেবার ফোর্স সার্ভে’র এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিক্যাল অফিস (NSO)। পরিসংখ্যানে অনুযায়ী ২০২৩ সালের মার্চ ত্রৈমাসিকে শহরে বেকারত্বের হার ৬.৮ শতাংশ। যা গত ৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম।

গত ত্রৈমাসিকে শহর অঞ্চলে বেকারত্বের হার যেমন কমেছে, তেমনই বেড়েছে চাকরি প্রার্থীদের কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণের পরিমাণও। এই ত্রৈমাসিকে ২০১৮-১৯ সালের পর সবচেয়ে বেশি চাকরি প্রার্থী রয়েছেন। অর্থাৎ লেবার ফোর্স পার্টিসিপেশন রেট বেশি। মার্চের ত্রৈমাসিকে লেবার ফোর্স পার্টিসিপেশন রেট ৩৮.১ শতাংশ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রাজস্থান রক্ষায় হাতে-হাত গেহলট-পাইলটের! বিজেপির বিরুদ্ধে এককাট্টা লড়াই]

গত ডিসেম্বরের ত্রৈমাসিকে শহুরে বেকারত্বের হার ছিল ৭.২ শতাংশ। তার এক বছর আগে শহরে বেকারত্বের হার ছিল ৮.২ শতাংশ অবধি। সেখানে চলতি বছরের মার্চের শেষে শহরাঞ্চলে বেকারত্বের হার নেমেছে ৬.৮ শতাংশে। যাকে স্বস্তির বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। উল্লেখ্য, লেবার ফোর্স পার্টিসিপেশনের মধ্যে রয়েছে মরশুমি কর্মসংস্থানও। যেমন কৃষিক্ষেত্রে এবং তার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য কাজ। ফলে গোটা বছরের কর্মসংস্থানের হারের দিকে নজরে থাকবে বিশেষজ্ঞদের।

[আরও পড়ুন: তখন ও এখন, তফাত দেখিয়ে টুইট মমতার]

এদিকে বেকারত্বের হার কিছু মাত্রায় কমলেও বাড়ছে পরিবারে অবৈতনিক সদস্যের সংখ্যা। যাঁরা উপার্জনক্ষম সদস্যের উপর নির্ভরশীল। ২০১৮-১৯ সালে পরিবারের অবৈতনিক সদস্যের হার ছিল ৪.২ শতাংশ। ২০২১-২২ সালে তা ১৭.৫ শতাংশে পৌঁছেছে। এর জন্য করোনা মহামারী এবং তৎসংক্রান্ত বিশ্বজোড়া আর্থিক মন্দা অনেকটাই দায়ী। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, যে হারে অবৈতনিক পারিবারিক সদস্যের সংখ্যা বাড়া উচিত ছিল তা হয়নি। সেটাই সুখের কথা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.