Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬

নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরোধিতা, এনডিএ ছাড়ার হুঁশিয়ারি মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রীর

কেন্দ্রের সঙ্গে আড়ি করার পথে উত্তরপূর্বের শক্তিশালী দল?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৯, ১৪:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৯, ১৪:০৯

options
link
নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরোধিতা, এনডিএ ছাড়ার হুঁশিয়ারি মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রীর zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের প্রতিবাদে জ্বলছে দেশের উত্তরপূর্বাঞ্চল। অসম, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, অরুণাচলে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে শামিল একাধিক আঞ্চলিক সংগঠন।  এরই মধ্যে কেন্দ্রের চাপ বাড়িয়ে দিলেন মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা। প্রতিবেশী রাজ্যের সংগঠনগুলির পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি, নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল ইস্যুতে প্রয়োজনে এনডিএ ছাড়বে তাঁর দল ন্যাশনাল পিপলস পার্টি বা এনপিপি।

উত্তরপ্রদেশে বিষ মদ কাণ্ডে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা, আর্থিক সাহায্য ঘোষণা

তাহলে কি উত্তরপূর্বের রাজনৈতিক সমীকরণ পালটানোর পথে? কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দল থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করতে চাইছে উত্তর পূর্বের অন্যতম বড় আঞ্চলিক দল এনপিপি? এই প্রশ্নই উঠল রবিবার মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রীর কথায়। এদিন শিলংয়ে এনপিপি-র সাধারণ সভার বৈঠক ছিল। উত্তরপূর্বের যে চারটি রাজ্যে এনপিপি-র সংগঠন রয়েছে, সেই অরুণাচল, নাগাল্যান্ড. মণিপুর এবং মেঘালয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষ করে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কনরাড সাংমা জানিয়েছেন, ‘দল সর্বসম্মতভাবে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল ২০১৬-র বিরোধিতা করছি আমরা। রাজ্যসভায় বিলটি পাশ হলে, এনডিএ-র সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিন্ন করবে এনপিপি।’ গত ৮ জানুয়ারি লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পাশ হয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল ২০১৬। এই বিল অনুযায়ী, প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান, আফগানিস্তান থেকে আগত অমুসলিম সংখ্যালঘু শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার সংস্থান রয়েছে। এখন রাজ্যসভায় এই বিল পাশ করার তোড়জোড় করছে কেন্দ্র। এই পরিস্থিতিতে বিলের বিরোধিতা করেছে প্রায় গোটা উত্তরপূর্বাঞ্চল। তাঁদের অভিযোগ, সংখ্যালঘুদের সুবিধার্থে নয়, নিতান্তই রাজনৈতিক স্বার্থে বিলটি পাশ করতে চায় কেন্দ্র। এতে উত্তরপূর্বের বিভিন্ন রাজ্যে যে সংখ্যালঘুরা রয়েছেন দীর্ঘদিন ধরে, তাঁরা নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা করছেন। প্রতিবাদের একেবারে সামনের সারিতে রয়েছে নর্থ ইস্ট স্টুডেন্টস ইউনিয়ন বা নেসো।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শিলং থেকে Live Update: বাগদেবীকে প্রণাম করে সিবিআই দপ্তরে প্রবেশ কুণাল ঘোষের

অন্যদিকে, উত্তরপূর্বের রাজনৈতিক সমীকরণ সাধারণত কেন্দ্রমুখী। কেন্দ্রের ক্ষমতায় যারা থাকে, নানা বাস্তবিক কারণে তাদেরই পাশে থাকে ওই রাজ্যগুলির ক্ষমতাসীন দল। অভিযোগ, উন্নয়নের নিরিখে বহুদিন ধরে অনেকাংশে অবহেলিত দেশের উত্তরপূর্বাংশের রাজ্যগুলি। সে কারণে নিজেদের উন্নতির স্বার্থেই কেন্দ্রের সঙ্গে থাকতে চায় শাসকদল। দিল্লির রাজনীতিতে একসময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা তথা লোকসভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ পিএ সাংমার হাত ধরে তৈরি হওয়ায় ন্যাশনাল পিপলস পার্টি বা এনপিপি ওই বলয়ে শক্তিবৃদ্ধি করেছে নিজেদের সাংগঠনিক জোরেই। পরবর্তী সময়ে এনডিএ-র পাশে দাঁড়ায় এনপিপি। ২০১৮’র নির্বাচনে বিজেপিকে ধরাশায়ী করে অন্যান্য আঞ্চলিক দলের সমর্থন নিয়ে মেঘালয়ের শাসনক্ষমতায় আসে এনপিপি। মুখ্যমন্ত্রী হন পিএ সাংমার ছেলে কনরাড সাংমা। কিন্তু এবার নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল ইস্যু অর্থাৎ আঞ্চলিক স্বার্থ বিঘ্নিত হতে পারে, এমন বিষয়ে এনডিএ ছাড়তেও পিছপা হবে না এনপিপি, কনরাড সাংমা সেটাই বুঝিয়ে দিলেন।  

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.