Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৭ জুলাই ২০২৬

ওবিসি তালিকাভুক্তদের শ্রেণিবিন্যাস করে আলাদা সংরক্ষণ চালু করতে চায় কেন্দ্র

কমিশন গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৯, ১৮:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৯, ১৮:৩৬

options
link
ওবিসি তালিকাভুক্তদের শ্রেণিবিন্যাস করে আলাদা সংরক্ষণ চালু করতে চায় কেন্দ্র zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চাকরি বা পড়াশোনার ক্ষেত্রে ওবিসিদের জন্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা চালু আছে ঠিকই। তবে ওবিসি বা অনগ্রসর সম্প্রদায়ভুক্ত সবশ্রেণির মানুষ সেই সংরক্ষণের সুবিধা সমানভাবে পান না। এই অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এই প্রেক্ষাপটে এবার ওবিসি সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষদের বেশ কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রের মোদি সরকার। বুধবার বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য একটি কমিশনের গঠন করার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। ১২ সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রকে রিপোর্ট দেবে কমিশন।

[বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে মুখ খুলে মৌলবাদীদের রোষে এনসিসি ক্যাডেট]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদেশে ‘পিছিয়ে পড়া’ সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষকেই ওবিসি বলে গণ্য করা হয়। কিন্তু, বাস্তবে দেখা গিয়েছে, ওসিবি তালিকাভুক্ত সমস্ত শ্রেণির মানুষের আর্খ-সামাজিক অবস্থা সমান নয়। যাঁরা অপেক্ষাকৃত বেশি পিছিয়ে পড়া বা মোস্ট ব্যাকওয়ার্ড ক্লাস বলে পরিচিত, তাঁদের অভিযোগ, যাঁদের আর্থ সামাজিক অবস্থা অপেক্ষাকৃত ভাল, তাঁরাই চাকরি বা পড়াশোনার ক্ষেত্রে সংরক্ষণের সুবিধা ভোগ করেন। প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েন মোস্ট ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসের মানুষরা।  ২০১৫ সালে মার্চে ওসিবিদের মধ্যে সংরক্ষণের এই বৈষম্য দুর করতে কেন্দ্রকে একটি প্রস্তাব দিয়েছিল ন্যাশনাল কমিশন ফর ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসেস বা এনসিবিসি। প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, ওবিসি তালিকাভুক্তদের আর্থ সামাজিক অবস্থার নিরিখে ব্যাকওয়ার্ড, মোস্ট ব্যাকওয়ার্ডস, এক্সট্রিম ব্যাকওয়ার্ড ইত্যাদি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হোক। এখন চাকরি বা পড়াশোনার ক্ষেত্রে ২৭ শতাংশ সংরক্ষণের সুবিধা পান ওবিসিরা। শ্রেণিবিন্যাসের পর, ওই ২৭ শতাংশের ভিতরেই জনসংখ্যার নিরিখে প্রতিটি শ্রেণির জন্য আলাদা সংরক্ষণ চালু করা হোক। এবার ন্যাশনাল কমিশন ফর ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসেস বা এনসিবিসি-র সেই প্রস্তাবই কার্যকর করতে চলেছে মোদি সরকার।

[সরকারকে ১০ টাকা প্রতি লিটার দামে গো-মূত্র কেনার পরামর্শ]

মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তে ওবিসিদের মধ্যে মেরুকরণের আশঙ্কা করছেন অনেকেই। যদিও কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। তিনি বলেন, এতে ওবিসিদের মধ্যে কোন শ্রেণির মানুষদের সংরক্ষণ-সহ অন্য সুবিধা দেওয়া বেশি প্রয়োজন, তা সহজেই বোঝা যাবে। প্রসঙ্গত,  কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে সমস্যায় পড়বেন উত্তর ভারতের যাদব ও কুর্মি সম্প্রদায়ের মানুষরা। কারণ আর্থ-সামাজিকভাবে শক্তিশালী হওয়ার কারণে ওবিসি সংরক্ষণের যাবতীয় সুবিধা পেয়ে থাকে এই দুই সম্প্রদায়ই।

[শিক্ষিকার যৌন ফাঁদ, ভিডিও তুলে ব্ল্যাকমেল পড়ুয়াকে]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.