Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Ram Mandir

২৮ বছর খালি পায়ে হেঁটেছেন প্রৌঢ়, অযোধ্যায় ভূমিপুজো সম্পন্ন হতেই ভাঙলেন পণ

অযোধ্যায় রাম মন্দির না হওয়া পর্যন্ত জুতো না পরার পণ নিয়েছিলেন নকুল মল্লিক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২০, ১৮:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২০, ১৮:২৯

options
link
২৮ বছর খালি পায়ে হেঁটেছেন প্রৌঢ়, অযোধ্যায় ভূমিপুজো সম্পন্ন হতেই ভাঙলেন পণ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২৮ বছর আগে পণ নিয়েছিলেন– যতদিন না অযোধ্যায় (‌Ayodhya)‌ রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি হচ্ছে, তত‌দিন জুতো পরবেন না। অবশেষে এতদিন পর সেই পণ ভাঙলেন ওড়িশার (Odisha) কেন্দ্রপাড়ার‌ নানাতারা গ্রামের মহাকালপদ ব্লকের বাসিন্দা নকুল ‌মল্লিক। তিনি আবার বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (‌Visva Hindu Parishad)‌ মহাকালপদ ইউনিটের সভাপতিও। বুধবার অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর টিভিতে বসে গোটা অনুষ্ঠানটি দেখেন তিনি। তারপরই পণ ভাঙার কথা জানান। কারণ ততক্ষণে তাঁর বহুদিনের স্বপ্নপূরণ হয়েছে।

[আরও পড়ুন: ‘দেশের শাসনভার হিন্দুদের হাতেই থাকা উচিত’, বিতর্কিত টুইট কর্ণাটকের বিজেপি সাংসদের]

এই প্রসঙ্গে নকুল বলেন, ‘‌‘‌১৯৯২ সালে যেদিন বাবরি মসজিদ (‌Babri Mosque)‌ ধ্বংস হয়, সেদিন অযোধ্যায় ছিলাম। সেদিনই ঠিক করেছিলাম যতদিন না রাম মন্দিরের ভূমিপুজো হচ্ছে, ততদিন আমি জুতো পরব না। খালি পায়ে হাঁটব।’‌’‌ এরপর থেকে কোনওদিনই আর জুতো পরতে দেখা যায়নি নকুলকে। যদিও এই সিদ্ধান্তের জন্য পাড়া–পড়শি এমনকী আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকেও কথা শুনতে হয়েছে তাঁকে। তবে তা সত্ত্বেও নিজের প্রতিজ্ঞা থেকে সরে আসেননি তিনি। আর তাই এদিন নিজের স্বপ্নপূরণ হওয়ায় খুব খুশি নকুল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্ট থেকে ‘উধাও’ বিজয় মালিয়া সংক্রান্ত মামলার নথি, পিছিয়ে গেল শুনানি]

নকুলের স্ত্রী সবিতার বক্তব্য, ‘‌‘‌আমার স্বামী একজন কট্টর রামভক্ত। কোনও কিছুই রামের উপর থেকে তাঁর বিশ্বাসকে টলাতে পারেনি। আমি খুশি ২৮ বছর পর তাঁর স্বপ্নপূরণ হল এবং এবার থেকে তিনি জুতো পরবেন।’‌’ জানা গিয়েছে, বহুদিন ধরে এই দিনটির অপেক্ষায় থাকা নকুল বুধবার সকাল থেকে পরিবার এবং আত্মীয়স্বজনদের নিয়ে টিভিতে অযোধ্যার অনুষ্ঠানের সম্প্রচার দেখছিলেন। আর তা দেখতে দেখতেই কার্যত চোখে জল চলে আসে তাঁর। কারণ এতদিনের পরিশ্রম আজ তাঁর সার্থক হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.