সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একদিকে যখন পুজোর উৎসবে মেতেছে বাংলা-সহ গোটা দেশ, অন্যদিকে তখন মা দুর্গাকেই সন্তুষ্ট করতে অন্ধবিশ্বাসের বলি হল এক শিশু। দুর্গাপুজো মানেই আনন্দ, উৎসবমুখর পরিবেশ। সকলের ভাল কামনা করা। অশুভ শক্তির বিনাশ করে শুভ শক্তির প্রতিষ্ঠা৷ কিন্তু তাঁকে তুষ্ট করতেই প্রাণ গেল এক নিরীহ শিশুর। একবিংশ শতাব্দীতে বিজ্ঞানের হাত ধরে যেখানে বিদ্যুৎ গতিতে এগিয়ে চলেছে বিশ্ব, সেখানে এ দুনিয়ারই কিছু অঞ্চলে আজও শিক্ষার আলো পৌঁছায়নি৷ কুসংস্কারে জর্জরিত মানুষ আজও ভয়ংকর কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে৷
[রেস্তরাঁয় পুলিশকে মারধর বিজেপি কাউন্সিলরের, ভাইরাল ভিডিও]
এমন শিউরে ওঠা ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশার বোলাঙ্গির জেলার সিন্ধেকেলা গ্রামে। পুলিশ সূত্রে খবর, সিন্ধেকেলার এক নদীর তীর থেকে ৯ বছরের এক শিশুর মুণ্ডহীন দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। জানা যায়, মৃতের নাম ঘনশ্যাম রানা। এরপরই তদন্তে নামে পুলিশ। শিশু খুনের কিনারা করতে খুব বেশি সময় লাগেনি। তাঁরা বুঝতে পারেন, বলি দেওয়ার উদ্দেশ্যেই খুন করা হয়েছে শিশুকে। এবং তা আর কেউ নয়, করেছে তারই আত্মীয়। ঘটনায় মৃতের আত্মীয় কুঞ্জা রানা এবং তুতো ভাই সম্ভাবন রানাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জেরায় বলি দেওয়ার কথা তারা স্বীকারও করে নিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্ত দু’জনই কালো জাদুতে বিশ্বাসী। সেই কুসংস্কার থেকেই দেবী দুর্গাকে তুষ্ট করতে নরবলির আয়োজন করে তারা। এবং ঘনশ্যামকে বলি দিয়ে মায়ের চরণে সমর্পণ করা হয়।
[বাঁদরদের তাণ্ডবে মৃত্যু বৃদ্ধের, ‘অভিযুক্ত’দের শাস্তির দাবিতে সরব পরিবার]
পুলিশ জানিয়েছে, গত ১৩ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ ছিল ঘনশ্যাম। দিন তিনেক পর তাঁর মুণ্ডহীন দেহ বাড়ির থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূর থেকে উদ্ধার করা হয়। তবে এই প্রথমবার নয়, গতবছর দুর্গাপুজোর সময়ও একই ঘটনা সামনে এসেছিল। এই এলাকাতেই অন্ধবিশ্বাসের শিকার হয়েছিল এক কিশোর। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এক তন্ত্রসাধককে।
সর্বশেষ খবর
-
দেশের সব বিক্ষোভকারীদের একছাতায় আনার চেষ্টা! গান্ধীজয়ন্তীর পরই ‘ডিজিটাল সত্যাগ্রহ’ শুরু রাহুলের
-
রাতে অশান্তি, সকালে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় অগ্নিকাণ্ড! বায়রনের বাড়িতে আগুনে ঘনীভূত রহস্য
-
বাবা-মায়ের বিচ্ছেদে শিশুমনে প্রভাব কতটা? অভিনব থিমভাবনা শিলিগুড়ির এই পুজোয়
-
২৮০০ টাকায় কেনা ছবি বিক্রি হল ১৩ কোটিতে! এমন কী বিশেষত্ব?
-
নিজেই কন্ডাক্টরের ভূমিকায়, তামিলনাড়ুতে বিনামূল্যে বাস পরিষেবার উদ্বোধন বিজয়ের