Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

১৯ দিনের বিরতি, কর্ণাটক নির্বাচনের পরই বাড়ল পেট্রল-ডিজেলের দাম

কলকাতায় প্রতি লিটারে পেট্রলের দাম বেড়ে হয়েছে ৭৭.৫০ টাকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৪, ২০১৮, ২০:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৪, ২০১৮, ২০:৪১

options
link
১৯ দিনের বিরতি, কর্ণাটক নির্বাচনের পরই বাড়ল পেট্রল-ডিজেলের দাম zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কর্ণাটক নির্বাচনের পরপরই বাড়ল তেলের দাম। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল বিপণন সংস্থাগুলি ১৯ দিনের মাথায় তেলের দাম বাড়িয়েছে। পেট্রলের দাম বেড়েছে প্রতি লিটার ১৭ পয়সা। ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে বেড়েছে ২১ পয়সা।

দিল্লিতে পেট্রলের দাম প্রতি লিটারে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪.৮০ টাকা। আগে এই দাম ছিল প্রতি লিটারে ৭৪.৬৩ টাকা। ডিজেলের দাম ৬৫.৯৩ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়ে হয়েছে ৬৬.১৪ টাকা। মুম্বইয়ে পেট্রলের দাম হয়েছে ৮২.৬৫ টাকা প্রতি লিটার। ডিজেলের দাম ৭০.৪৩ টাকা প্রতি লিটার। চেন্নাইয়ে পেট্রলের দাম প্রতি লিটারে হয়েছে ৭৭.৬১ টাকা। ডিজেলের দাম হয়েছে ৬.৭৯ টাকা। কলকাতায় প্রতি লিটারে পেট্রলের দাম বেড়ে হয়েছে ৭৭.৫০ টাকা। ডিজেলের দাম হয়েছে ৬৮.৬৮ টাকা। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল বিপণন সংস্থাগুলি যে নোটিশ জারি করেছে, তাতে একথা বলা হয়েছে। এও বলা হয়েছে, এই দাম বৃদ্ধির ফলে ডিজেলের দাম রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

Advertisement

[ চলতি মাসের শেষে দেশজুড়ে ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘট, সমস্যায় আমজনতা ]

কর্ণাটক নির্বাচনের আগে পর্যন্ত তেলের দাম বাড়ায়নি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব তেল কোম্পানিগুলি। সাধারণত আন্তর্জাতিক বাজারের উপর নির্ভর করে বাড়ে তেলের দাম। কিন্তু গত ১৯ দিনে তা হয়নি। রবিবার কর্ণাটক নির্বাচন মিটতেই তেলের দামও বাড়ল। ভারতীয় তেল কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান সঞ্জীব সিং গত সপ্তাহে জানিয়েছিলেন, রাষ্ট্র অধিকৃত তেল কোম্পানিগুলি তেলের দাম বাড়াবে। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে কিছুদিন অস্থায়ীভাবে দাম বৃদ্ধি বন্ধ রাখা হয়েছিল।

[ বয়ান বদলাতে নারাজ, নির্যাতিতাকেই একঘরে করল গ্রামবাসীরা ]

তবে নির্বাচনের পর তেলের দাম বাড়া এই প্রথম নয়। এর আগে ২০১৭ সালে গুজরাট নির্বাচনের আগেও এমন ঘটনা ঘটেছিল। তখন নির্বাচনের ১৪ দিন আগে থেকে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল বিপণন সংস্থাগুলি তেলের দাম প্রতিদিন ১ থেকে ৩ পয়সা করে কমাচ্ছিল। নির্বাচনের পর হুড়মুড়িয়ে বেড়েছিল দাম। তখনও মনে করা হযেছিল নির্বাচনে যাতে বিরুপ প্রতিক্রিয়া না পড়ে বা বিরোধীরা যাতে তেলের দাম বৃদ্ধিকে হাতিয়ার না করতে পারে, তাই সরকারের তরফে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। কর্ণাটকে নির্বাচনের ক্ষেত্রেও অবস্থার ব্যতিক্রম হল না বলেই মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

১৯ দিনের বিরতির পর রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল বিপণন সংস্থাগুলি প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ক্ষতির সম্মুখীন বলে মনে করা হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.