Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৬ জুলাই ২০২৬

মাংসাশী ছিলেন শিব! তাহলে শিব পুজোয় কেন বন্ধ মাংস বিক্রি?

উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুললেন গবেষিকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩০, ২০১৭, ১৬:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩০, ২০১৭, ১৬:০০

options
link
মাংসাশী ছিলেন শিব! তাহলে শিব পুজোয় কেন বন্ধ মাংস বিক্রি? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কানওয়ার যাত্রার প্রাক্কালে উত্তরপ্রদেশের দাদরিতে মাংস-ডিম বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। শিব ঠাকুরের উদ্দেশ্যে ভক্তদের সমাগম, পুজোও শিবের। এদিকে শিবঠাকুরের বিবর্তনের ইতিহাস বলছে, নিরামিশাষী নন, এককালে মাংসই প্রিয় ছিল শিবের। এমন তথ্যই তুলে ধরলেন জহওরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের গবেষক রুচিরা শর্মা।

এটাই ভারতবর্ষ, বন্দুক হাতে সম্প্রীতি রক্ষায় ঠাঁয় দাঁড়িয়ে জওয়ান  ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শিব যে মাংসাশী ছিলেন তার উৎস সন্ধানে গবেষিকা তুলে এনেছেন পৌরাণিক এক কাহিনি। কথিত আছে, এক শিবভক্তকে স্বয়ং মহাদেব দেখা দিয়েছিলেন। কিন্তু এক অতিথির ছদ্মবেশে। ওই ভক্তের বাড়ি শিব এসেছিলেন একটি মৃত বাছুরকে নিয়ে। ভক্তকে তিনি তা রান্না করতে বলেন। অতিথিকে তুষ্ট করতে ভক্তও তা করেন। কিন্তু এ কথা জানাজানি হতেই গ্রামের ব্রাহ্মণদের রোষের মুখে পড়েন ওই ভক্ত। সকলে তাঁর উপর চড়াও হন। শেষমেশ পালিয়ে বাঁচেন তিনি। আজকের গনপিটুনির বীজও বোধহয় এই কাহিনিতে রাখা আছে। যাইহোক, ওই ভক্ত ও তাঁর অতিথির পলায়নের সঙ্গে সঙ্গে গ্রাম থেকে সব শিবলিঙ্গ উধাও হয়ে যায়। গ্রামে নেমে আসে বিপর্যয়। ব্রাহ্মণরা তাঁদের ভুল বুঝতে পেরে ফিরিয়ে আনেন ওই ভক্তকে। আবার গ্রামে ফিরে আসে শিবলিঙ্গ ও সমৃদ্ধি।

রাত এগারোটায় ফোন, অসহায় দম্পতির পাশে দাঁড়ালেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ]

বাসব পুরাণের এই কাহিনি যা ইঙ্গিত দেয় তা হল, এককালে শিবভক্তির সঙ্গে মাংসের কোনও বিরোধ ছিল না। ঋক বেদে শিবের প্রভাব ছিল সামান্যই। কিন্তু যত সময় গড়িয়েছে সে প্রভাব বেড়েছে। কালক্রমে শিব বা রুদ্র থেকে দেবাদিদেব মহাদেব হয়ে উঠেছেন শিব। ঠিক যেভাবে প্রান্তিক দেবতা থেকে উত্থান হয় কৃষ্ণের। শিবের এই উত্থান পর্বে মাংসের সঙ্গে সংযোগের প্রমাণ বেদ ও পুরাণে বেশ ভালই মেলে বলে জানিয়েছেন ওই গবেষিকা। বরং শিবপুজোর সঙ্গে মদের যোগাযোগ আরও পরবর্তীকালে হয়েছে বলেই মত তাঁর। কিন্তু কালক্রমে নানা প্রভাব এসে জুড়ে বসায় শিব ক্রমশ মাংসপ্রিয় দেবতা থেকে নিরামিশাষীতে পরিণত হয়েছেন। মূলত ব্রাহ্মণ্যতন্ত্রের প্রভাবই শিবকে এরকমভাবে তৈরি করেছে। তবে বিভিন্ন সময়ের প্রভাব থাকা সত্ত্বেও তামিল সাহিত্যে শিবের এই মাংসপ্রিয়তা কখনও উপেক্ষিত হয়নি। গবেষিকার দাবি, একজন শিবভক্ত হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ নিশ্চিতই তা জানবেন।

এই বিবর্তনের কথা মাথায় না রেখে শিবপুজোয় মাংস বিক্রি বন্ধকে ‘আইরনি’ বলেই অভিহিত করেছেন ওই গবেষিকা।

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.