Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
অধীররঞ্জন চৌধুরি

‘মাত্র এক হাজার কোটি’, আমফান মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর বরাদ্দ মনঃপূত নয় অধীরের

বাংলাকে পুরনো জায়গায় ফেরাতে আরও কয়েকগুণ অর্থের প্রয়োজন, মত লোকসভার কংগ্রেস দলনেতার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২০, ১০:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২০, ১০:১৭

options
link
‘মাত্র এক হাজার কোটি’, আমফান মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর বরাদ্দ মনঃপূত নয় অধীরের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাত্র এক হাজার কোটি টাকায় কিছুই হবে না। আমফানে বাংলার যা ক্ষতি হয়েছে, তার পর বাংলাকে ফের পুরনো জায়গায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন‌্য আরও কয়েকগুণ অর্থের প্রয়োজন। পশ্চিমবঙ্গে এসে আমফান পরিস্থিতি দেখে যাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে এই মন্তব‌্য করলেন লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীররঞ্জন চৌধুরি (Adhir Ranjan Chowdhury)।

বুধবার আমফান তাণ্ডবে ব‌্যাপক ক্ষতি হয়েছে বাংলার। বৃহস্পতিবার বাংলা ও ওড়িশার পরিস্থিতি নিয়ে পরপর দুটি টু‌ইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রথম টু‌ইটে ওড়িশা ও পরবর্তী দু’টি টু‌ইটে বাংলার পরিস্থিতি সম্পর্কে নিজের বক্তব‌্য রাখেন তিনি। ওড়িশার জন‌্য করা টু‌ইটে বলেন, তাদের পর্যাপ্ত সহায়তা করবে কেন্দ্র। বাংলার জন‌্য করা দু’টি টু‌ইটের নির্যাস, এনডিআরএফ-এর দল কাজ করছে। উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা সক্রিয়ভাবে পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন। গোটা দেশ বাংলার পাশে আছে। প্রার্থনা করছে।

Amphan

[আরও পড়ুন: করোনাতঙ্ক ছাপিয়ে আমফানের ছোবলে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে বাদাবনের মানুষ]

এখানেই আপত্তি অধীরবাবুর। এদিন সকালে টু‌ইটারে তাঁর বক্তব‌্য, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী টু‌ইট করে ওড়িশাকে সাহায্যের কথা বললেও বাংলার ক্ষেত্রে শুধু পাশে থাকার কথা বললেন। হাঁসকে যা খাওয়ার দেওয়া হয়, রাজহাঁসের ক্ষেত্রেও ন্যূনতম সেটাই হওয়া উচিত।’ পরে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সাহায‌্য ঘোষণারও প্রতিবাদ করেন। বলেন, “রাজ্যের কী অবস্থা হয়েছে তা তো উনি দেখলেন। তাতে ওঁর কীভাবে মনে হল যে মাত্র এক হাজার কোটি টাকায় সব পুরনো অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যাবে?”

[আরও পড়ুন: শারীরিক দূরত্বও উধাও, মমতা-মোদিকে দেখতে উপচে পড়ল ভিড়]

পরিযায়ী সমস‌্যা প্রসঙ্গে মুখ‌্যমন্ত্রীকে এদিনও আক্রমণ করেন তিনি। তাঁর বক্তব‌্য, “পরিযায়ীদের রাজ্যে ফিরে আসার অধিকার কেড়ে নেওয়া যায় না। রাজ্যের দায়িত্ব তাঁদের ফেরানো ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা। করোনা আক্রান্ত কারও জন‌্য যাতে অন্য কেউ সংক্রমিত না হয়। সংক্রমিত মানুষদের কোয়ারান্টাইন করা। এইসবই রাজ্যের কর্তব‌্য। মানুষ তো স্বাস্থ্যপরীক্ষায় কোনো অসহযোগিতা করেনি। রাজ্যের স্বাস্থ‌্য দপ্তরের ব্যর্থতায় ঠিকমতো সকলের করোনা পরীক্ষা হচ্ছে না।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.