Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

বাংলাদেশে শেষ অপারেশন ‘ঈগল হান্ট’, নিকেশ ৪ জঙ্গি

বানচাল নাশকতার ছক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০১৭, ১৩:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০১৭, ১৩:১১

options
link
বাংলাদেশে শেষ অপারেশন ‘ঈগল হান্ট’, নিকেশ ৪ জঙ্গি zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: বুধবার সন্ধ্যায় সিলেট ও মৌলভীবাজারের আদলেই চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার শিবনগরের একটি জঙ্গি ডেরা গুঁড়িয়ে দিতে অপারেশন ‘ঈগল হান্ট’ শুরু করেছিল বাংলাদেশ পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধায় শেষ হয় ওই অভিযান। নিহত হয় চার জঙ্গি। নিহত জঙ্গি দম্পতি আবু (৩০) তার স্ত্রী ও মেয়ে-সহ এক। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছিল , বাড়িটিতে আবুর পরিবার ছাড়াওআরও বেশ কয়েকজন থাকতে পারে।পুলিশ সুপার মুজাহিদুল ইসলাম জানান, বুধবার সন্ধ্যায়অভিযান ‘ঈগল হান্ট’ শুরুর আগে আবুকে আত্মসমর্পণের জন্য তার মা ও পরিবারের সদস্যদের ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়। অনেক ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। জঙ্গিআস্তানা ঘিরে বুধবার সকাল ১১টা থেকে জারি করা ১৪৪ ধারা।

গতকাল বিকেলে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে ওই ডেরায় অভিযান চালাতে পৌঁছে যায় সোয়াট টিম। এরপর সন্ধ্যা ৬টা ৪০ নাগাদ জঙ্গি ও নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে শুরু হয় প্রবল গুলির লড়াই। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের এডিসি আবদুল মান্নান জানিয়েছেন, সোয়াট সদস্যরা অপারেশন শুরু করেছেন। আমবাগান ঘেরা একতলা ওই বাড়ির ভেতরে নারী ও শিশুসহ চার জঙ্গি লুকিয়ে আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দিনে মাইকের মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা সাড়া দেয়নি।

Advertisement

[যাকে গুলি করেছিলেন, রক্ত দিয়ে তারই প্রাণ বাঁচালেন পুলিশকর্মী]

কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের উপ-কমিশনার মহিবুল ইসলাম জানান, ওই ডেরা ঘিরে ফেলা হলে ভেতর থেকে গুলি ছোড়া হয়। পরে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। তবে সেখানে কী পরিমাণ বিস্ফোরক বা গোলাবারুদ আছে সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে রাত সাড়ে ৮টায় অভিযান স্থগিত করার কথা জানান চাঁপাই নবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার টিএম মুজাহিদুল ইসলাম।

[বাবরি কাণ্ডে অভিযুক্তরা কি পদত্যাগ করছেন, অমিতকে পাল্টা কটাক্ষ পার্থর]

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত চাঁপাই নবাবগঞ্জ এলাকাটি জামাত ও জেএমবি জঙ্গিদের মুক্তাঞ্চল রূপে পরিচিত। অভিযান ও নিরাপত্তার স্বার্থে খালি করা হয়েছে আশেপাশের এলাকা। বাসিন্দাদের নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাজশাহীর একটি এলাকায় কয়েকটি বাড়ি ঘিরে অভিযান চালিয়েছিল পুলিশ। গত শনিবার ঝিনাইদহের একটি বাড়ি ঘিরে অভিযান চালিয়ে বিপুল বিস্ফোরক ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করে পুলিশ। গত দুইমাসে জঙ্গি বিরোধী পুলিশের অভিযানে মোট ১৮ জন নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে।

[‘বাহুবলী: দ্য কনক্ল্যুশন’-এর মুক্তির পর কী করতে চলেছেন প্রভাস?]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.