Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Operation Sindoor

ভারতের প্রত্যাঘাতের পর চর্চায় নেটদুনিয়ায় ট্রেন্ডিং সিঁদুর-কুমকুম, তফাত কী?

মাত্র ২৫ মিনিটের অপারেশন সিঁদুরে ঘায়েল পাকিস্তান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৭, ২০২৫, ১৯:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৭, ২০২৫, ১৯:৫০

options
link
ভারতের প্রত্যাঘাতের পর চর্চায় নেটদুনিয়ায় ট্রেন্ডিং সিঁদুর-কুমকুম, তফাত কী? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সিঁদুর নিয়ে নানা মুনির নানা মত। এক এক বিবাহিত মহিলা, এক একরকম মন্তব্য করেন। সিঁদুর পরার ক্ষেত্রেও রয়েছে মতভেদ। তারই মাঝে পহেলগাঁও হামলার বদলার সঙ্গে জুড়েছে সিঁদুরের নাম। মাত্র ২৫ মিনিটের অপারেশন সিঁদুরে ঘায়েল পাকিস্তান। সিঁদুর এবং কুমকুমের মধ্যে পার্থক্য ঠিক কী তা নিয়ে ভাবছেন অনেকেই।

সিঁদুর এবং কুমকুম – সাধারণত দু’টিই লাল রঙের। তবে কমলা এবং গোলাপি লাল রঙের সিঁদুরও বাজারে পাওয়া যায়। হিন্দু ধর্মে দু’টিই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবহারের ক্ষেত্রে রয়েছে পার্থক্য। বিবাহিত হিন্দু মহিলাদের কাছে সিঁদুরের তাৎপর্যই অন্যরকম। বিয়ের দিন স্বামীর হাত থেকে সিঁদুর পরেন তাঁরা। সে-ই শুরু। কথিত আছে, স্ত্রীর সিঁথির সিঁদুর স্বামীকে যে কোনও বিপদ থেকে রক্ষা করে। তাই তাঁর দীর্ঘায়ু কামনায় আজীবন সিঁদুর পরেন হিন্দু মহিলারা। তবে কুমকুম সাধারণত কপালে পরা হয়। নারী, পুরুষ ও শিশু উভয়েই কুমকুম পরতে পারেন। সাধারণত বহু মন্দিরে কপালে কুমকুম পরানোর রীতি রয়েছে।

Advertisement

সিঁদুর ও কুমকুম পরার ক্ষেত্রে কিন্তু বিধিনিষেধও রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, সেগুলি মেনে চলা উচিত। চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক, ঠিক কী কী বিধিনিষেধ রয়েছে।
১. কোনও অবিবাহিত মহিলা সিঁদুর পরতে পারেন না। কারণ, হিন্দু ধর্মমতে, শুধুমাত্র বিবাহিত মহিলারাই সিঁদুর পরতে পারেন।
২. কুমকুম সাধারণ টিপের মতো। তা বলে যখন ইচ্ছা হল তখনই পরে নেওয়া সম্ভব নয়। কারণ, এটি পূজার্চনার যোগ রয়েছে। তাই সাধারণত মন্দিরে পরানো হয় কুমকুম।

প্রসঙ্গত, গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসরনে ধর্ম পরিচয় বেছে গুলি চালানো হয়। কারও হাতে থাকা লাল সুতো, কারও স্ত্রীর কপালের সিঁদুর দেখে স্বামীকে ঝাঁজরা করে জঙ্গিরা। হামলার পরই সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল এক যুগলের ছবি। দেখা গিয়েছে, সবুজ মাঠের মাঝে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে এক যুবক, পাশে বলে এক তরুণী। তারপরই জানা গিয়েছিল, বিয়ের কয়েকদিনের মাথায় হানিমুনে গিয়েছিলেন ওই যুগল। জঙ্গিদের হাত থেকে রেহাই পাননি তাঁরাও। কয়েক মিনিটের অপারেশনে মুছে গিয়েছিল ২৫ জনের (মৃতদের মধ্যে একজন ছিলেন কাশ্মীরি মুসলিম যুবক ) সিঁথির সিঁদুর। তারই পালটা এই অপারেশন। জানা যাচ্ছে, নিহতদের স্ত্রীদের সিঁদুরের বদলা, মৃতদের বিধবা স্ত্রীদের কথা মাথায় রেখেই অভিযানের নামকরণ করা হয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুর’। সে কারণেই সেনার পোস্ট করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ‘Operation Sindoor’-এর একটি ‘O’-হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে সিঁদুর। আর তারপর থেকেই চর্চায় সিঁদুর।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.