Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Lok Sabha adjourned

সত্যি হল রাহুল-বচন! সংসদে এলেনই না মোদি, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের আগে মুলতুবি অধিবেশন

আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে সুর চড়ানোর সময় হইহট্টগোলের জেরে মঙ্গলবার আট বিরোধী সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তা নিয়ে বুধবার সকাল থেকেই উত্তাল ছিল সংসদ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৮:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৮:২৩

options
link
সত্যি হল রাহুল-বচন! সংসদে এলেনই না মোদি, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের আগে মুলতুবি অধিবেশন zoom
সংরক্ষণ বাতিল নিয়ে তরজা কংগ্রেস-বিজেপির। ফাইল ছবি।

সকালেই রাহুল গান্ধী দাবি করেছিলেন, বুধবারের অধিবেশনে যোগ দিতে সংসদে আসবেন নরেন্দ্র মোদি। তাঁর সেই ‘ধক’ নেই বলেও মন্তব্য করেছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল। দিনের শেষে কংগ্রেস নেতার সেই বচন সত্যি হল! সংসদে এলেনই না প্রধানমন্ত্রী। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর ভাষণের উপর তাঁর ধন্যবাদজ্ঞাপক ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল বিকেল ৫টায়। কিন্তু বিরোধীদের হইহট্টগোলের জেরে তার আগেই লোকসভার অধিবেশন মুলতুবি করে দিলেন স্পিকার।

আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে সুর চড়ানোর সময় হইহট্টগোলের জেরে মঙ্গলবার আট বিরোধী সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তা নিয়ে বুধবার সকাল থেকেই উত্তাল ছিল সংসদ। সকালেই সংসদ চত্বরে এসেছে রাহুল দাবি জানিয়েছিলেন, বুধবার প্রধানমন্ত্রী সংসদে এলে নিজে সশরীরে গিয়ে তাঁকে প্রাক্তন সেনাপ্রধান এমএম নারাভানের বিতর্কিত বই দিয়ে আসবেন। কংগ্রেস নেতার কথায়, “যদি প্রধানমন্ত্রী আসেন, আমি সশরীরে যাব এবং নিজের হাতে ওঁকে বই দেব, যাতে উনি তা পড়তে পারেন এবং গোটা দেশ সত্যটা জানতে পারে। এই বইটার অস্তিত্বের কথা দেশের যুবসমাজের জানা উচিত। এটা নারাভানের বই। লাদাখ সংক্রান্ত গোটা বিষয় রয়েছে এই বইয়ে। আমায় বলা হয়েছে, আমি এই বইকে উদ্ধৃত করতে পারব না।” প্রসঙ্গত, এই বইয়ে লাদাখে চিনা আগ্রাসন সংক্রান্ত বিষয় যা লেখা হয়েছে, তার একটি অংশ সংসদে গত সোমবার পড়তে চেয়েছিলেন রাহুল। কিন্তু শাসকশিবিরের বিরোধিতা এবং স্পিকার বাধা দেওয়ায় কংগ্রেস নেতা তা পড়তে পারেননি।

Advertisement

বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের আগে বিরোধীদের বিক্ষোভের জেরে আরও এক দফা উত্তাল হয় নিম্নকক্ষ। তৃণমূল, কংগ্রেস এবং সমাজবাদী পার্টির সাংসদেরা প্ল্যাকার্ড-পোস্টার হাতে শাসকদলের সাংসদদের দিকে এগোতে থাকেন। অনুরাগ ঠাকুর, কিরেন রিজিজুর মতো সাংসদের বিরোধীদের থামানোর চেষ্টা করায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সংসদে আসার ‘ধক’ নেই বলে বুধবার রাহুল যে মন্তব্য করেছিলেন, তা নিয়ে প্রত্যাশিতভাবেই ক্ষুব্ধ ছিল শাসকশিবির। তবে শুধু এই ঘটনাই নয়, মকরদ্বারের কাছে বিরোধীদের অবস্থান বিক্ষোভের সময় পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবনীত সিং বিট্টুকে ‘গদ্দার’ বলে কটাক্ষ করেছেন রাহুল। বিতর্ক হয়েছে তা নিয়েও। তার আঁচ পড়ে সংসদের অধিবেশনেও। এসবের জেরে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয় লোকসভা।

বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের আগে বিরোধীদের বিক্ষোভের জেরে আরও এক দফা উত্তাল হয় নিম্নকক্ষ। তৃণমূল, কংগ্রেস এবং সমাজবাদী পার্টির সাংসদেরা প্ল্যাকার্ড-পোস্টার হাতে শাসকদলের সাংসদদের দিকে এগোতে থাকেন। অনুরাগ ঠাকুর, কিরেন রিজিজুর মতো সাংসদের বিরোধীদের থামানোর চেষ্টা করায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। স্পিকারও বিরোধীদের নিজের নিজের আসনে বসার অনুরোধ করেন। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। এরপরেই লোকসভার অধিবেশন মুলতুবি করার সিদ্ধান্ত নেন স্পিকার।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.