Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
Bihar

বিহার আছে বিহারেই! সদ্য জয়ী বিধায়কদের ৬৮ শতাংশের বিরুদ্ধেই রয়েছে ফৌজদারি মামলা

বিজয়ীদের ৮১ শতাংশই কোটিপতি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১২, ২০২০, ১০:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১২, ২০২০, ১০:১৯

options
link
বিহার আছে বিহারেই! সদ্য জয়ী বিধায়কদের ৬৮ শতাংশের বিরুদ্ধেই  রয়েছে ফৌজদারি মামলা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিহারের ‘জঙ্গলরাজ’ নিয়ে জনসভায় বারবার সরব হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভোটের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার পর দেখা গেল বিহার (Bihar) রয়েছে বিহারেই! এবারের বিধানসভা ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দুই তৃতীয়াংশের বিরুদ্ধেই রয়েছে ফৌজদারি মামলা। খুন, অপহরণ থেকে ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে একাধিক বিজয়ী বিরুদ্ধে। তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতাও তথৈবচ। তবে সে সব বিধায়কদের ট্যাঁকের জোর মারাত্মক। অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মসের (এডিআর) এক রিপোর্টে বলছে, বিজয়ীদের ৮১ শতাংশই কোটিপতি।

সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনী যজ্ঞে ২৪৩ জন বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। এডিআরের রিপোর্ট বলছে, ১৬৩ জন বিধায়ক হলফনামা দিয়ে জানিয়েছেন তাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে। অর্থাৎ মোট বিধায়কের ৬৮ শতাংশের বিরুদ্ধেই এই ধরণের মামলা রয়েছে। এঁদের মধ্যে ৫১ শতাংশের বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, অপহরণ, মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের মতো গুরুতর ফৌজদারি অভিযোগ রয়েছে। হলফনামা প্রকাশ করে সে কথা স্বীকার করেছেন খোদ জনপ্রতিনিধিরাই। ওই রিপোর্ট বলছে, গতবারের তুলনায় এবার এই ধরনের নির্বাচিত প্রতিনিধির সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে। আগের বার ৫৮ শতাংশ বিধায়ক ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন : তেজস্বী যাদবের ভূয়সী প্রশংসা বিজেপি নেত্রী উমা ভারতীর গলায়, সুখ্যাতি কমল নাথেরও]

এডিআরের রিপোর্ট বলছে, আরজেডির (RJD) ৭৪ জন বিজয়ী প্রার্থীর মধ্যে ৫৪ জন, বিজেপির (BJP) ৭৩ জন বিধায়কের মধ্যে ৪৭ জন, জেডি(ইউ)-এর ৪৩ বিধায়কের মধ্যে ২০ জন, কংগ্রেসের ১৯ বিজয়ী প্রার্থীর মধ্যে ১৬ জন, সিপিআই(এমএল)(এল)-এর ১২ বিধায়কের মধ্যে ১০ জন এবং এআইএমআইএম-এর ৫ বিজয়ী প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে। আরজেডির ৪৪ জন অর্থাৎ ৬০ শতাংশ, বিজেপির ৩৫ জন অর্থাৎ ৪৮ শতাংশ, জেডি(ইউ)-এর ১১ জন অর্থাৎ ২৬ শতাংশ, কংগ্রেসের ১১ জন অর্থাৎ ৫৮ শতাংশ, সিপিআই (এমএল)(এল) ৮ জন অর্থাৎ ৬৭ শতাংশ এবং AIMIM-এর ৫ জন অর্থাৎ ১০০ শতাংশ-এর বিরুদ্ধেই গুরুতর ফৌজদারি অভিযোগ রয়েছে।

[আরও পড়ুন : ‘খুনের রাজনীতি করে ভোটে জেতা যাবে না’, বিহারের সাফল্যে বাংলাকে পরোক্ষ বার্তা মোদির]

বিজয়ীদের সম্পত্তির হিসেবও রয়েছে এই রিপোর্টে। হলফনামা অনুযায়ী, বিজয়ী প্রার্থীর মধ্যে ১৯৪ জনই কোটিপতি। সর্বাধিক কোটিপতি বিধায়ক রয়েছে বিজেপির। তাঁধের ৬৫ জন বিধায়কের সম্পত্তির মূল্য কোটি টাকার বেশি। এরপরেই রয়েছে আরজেডি। তাঁধের ৬৪ জন বিধায়ক কোটিপতি। নীতীশ কুমারের দলের ৩৮ জন ও কংগ্রেসের ১৪ জন বিধায়ক কোটি টাকার মালিক। সেই রিপোর্টের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতারও উল্লেখ করা হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, সদ্য নির্বাচিত ৮২ জন বিধায়কের যোগ্যতা পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির মধ্যে। তবে প্রায় ১৫০ জন বিধায়ক স্নাতক বা তার চেয়ে উচ্চশিক্ষিত।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.