Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Flights

মাত্র ২৪ ঘন্টায় এক ডজন বিমানে বোমা হামলার হুমকি, চলতি সপ্তাহে সংখ্যাটা ৭০

হুমকি ফোনের জেরে দিল্লি বিমানবন্দরে ৩টি বিমান জরুরি অবতরণ করেছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২৪, ১৬:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২৪, ১৬:০৯

options
link
মাত্র ২৪ ঘন্টায় এক ডজন বিমানে বোমা হামলার হুমকি, চলতি সপ্তাহে সংখ্যাটা ৭০ zoom
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিমানে বোমা হামলার আতঙ্ক কাটছে না। গত ২৪ ঘন্টায় প্রায় এক ডজন বিমানে বোমা রাখা রয়েছে বলে এল হুমকি ফোন। শনিবার ইন্ডিগোর ৫টি বিমান বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দুষ্কৃতীদের। এমন হুমকি ফোন কলের জেরে জরুরি অবতরণ করল ৩টি বিমান। গত ২৪ ঘন্টায় এখনও পর্যন্ত ইন্ডিগো ও আকাশা এয়ারের ১০টি বিমান এই হুমকি ফোন পেয়েছে বলে খবর।

উৎসবের মরশুম চলছে দেশে। এই সময়ে লাগাতার হুমকি ফোনে উদ্বেগ ছড়িয়েছে যাত্রীদের মধ্যে। উদ্বিগ্ন অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকও। রিপোর্ট বলছে, সোমবার থেকে এখনও পর্যন্ত অন্তত ৭০টি বিমান এই হুমকি ফোন পেয়েছে। যার মধ্যে বেশিরভাগ বিমানকেই করতে হয়েছে জরুরি অবতরণ। শনিবার সকালে বিমানে বোমা থাকার হুমকি ফোন পায় জয়পুর থেকে দুবাইগামী এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস। দ্বারভাঙা-দিল্লি স্পাইসজেটের বিমানেও বোমা রাখা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। দুই বিমানে বোর্ডিং হয়ে যাওয়ার পর, ফের যাত্রীদের নামানো হয় বিমান থেকে। শুরু হয় তল্লাশি। যদিও কোনও বিমানেই সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি।

Advertisement

ইন্ডিগোর তরফে এক বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, মুম্বই থেকে ইস্তানবুলগামী ৬ই১৭ ও ৬ই১১ বিমানে বোমা থাকার বার্তা পাওয়া গিয়েছে। বিমানে থাকা যাত্রীদের সুরক্ষাই আমাদের সর্বাধিক অগ্রাধিকার। দুপুরে জয়পুর বিমান বন্দরে জরুরি অবতরণ করে আরও একটি বিমান। হুমকির জেরে এখনও পর্যন্ত দিল্লি বিমানবন্দরে ৩টি বিমান জরুরি অবতরণ করেছে।

উল্লেখ্য, গত রবিবার থেকে লাগাতার হুমকিবার্তা আসছে বিভিন্ন সংস্থার বিমানগুলিতে। তার জেরে কোনওটি বাতিল করতে হয়েছে। কোনও বিমানকে জরুরি ভিত্তিতে অবতরণ করিয়ে তল্লাশি চালানো হয়েছে। এই ঘটনার তদন্তে নেমে ছত্তিশগড়ের এক কিশোরকে হেফাজতে নিয়েছে মুম্বই পুলিশ। তদন্তে নেমেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাও। তবে যারা এই ঘটনা ঘটাচ্ছে তাঁদের চিহ্নিত করাও কঠিন হয়ে যাচ্ছে, কারণ ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (ভিপিএন) ব্যবহার করছে অপরাধীরা। যে এক্স হ্যান্ডলগুলি থেকে এই হুমকিবার্তা পাঠানো হচ্ছে সেগুলি চিহ্নিত করতে ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টার (১৪সি), ইন্ডিয়ান কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম (সার্ট-ইন) একযোগে কাজ করছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.