Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
Pakistan

ছেলেকে ফেলে পাকিস্তানে যাওয়া মহিলাকে ভারতে ফেরাল পাক রেঞ্জার্স, চর নয় তো? তদন্তে পুলিশ

খবরটি প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২৫, ১৯:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২৫, ১৯:২২

options
link
ছেলেকে ফেলে পাকিস্তানে যাওয়া মহিলাকে ভারতে ফেরাল পাক রেঞ্জার্স, চর নয় তো? তদন্তে পুলিশ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত-পাক সংঘাতের আবহে এমনিই পরিস্থিতি উত্তপ্ত। এই আবহে নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে পাকিস্তানে চলে গিয়েছিলেন নাগপুরের এক মহিলা। শনিবার তাঁকে বিএসএফের হাতে তুলে দিয়েছে পাক রেঞ্জার্স। সোমবার খবরটি প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। উঠছে একাধিক প্রশ্নও।

কে এই মহিলা? পুলিশ সূত্রে খবর, নাগপুরের বাসিন্দা বছর তেতাল্লিশের ওই মহিলার নাম সুনিতা জামগাড়ে। নাগপুরের একটি হাসপাতালে তিনি নার্সের কাজ করতেন। সম্প্রতি অনলাইনে এক পাকিস্তানি যুবকের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। তাঁর সঙ্গে দেখা করতেই সুনিতা পাকিস্তানে গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরোনের পরই পাক রেঞ্জার্সদের হাতে তিনি গ্রেপ্তার হন। কীভাবে পাকিস্তানে গেলেন সুনিতা? জানা যাচ্ছে, রাতের অন্ধকারে কার্গিলের হান্ডেরম্যান গ্রামের কাছে নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে তিনি পাকিস্তানের মাটিতে পা রাখেন। যাওয়ার পথে গ্রামের একটি অতিথিশালায় রেখে যান তাঁর ছেলেকে। তবে এই কাজে তাঁকে আরও কেউ সাহায্য করেছিলেন কিনা তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৪ মে থেকে কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তারপরই জানা যায়, তিনি পাকিস্তান চলে গিয়েছে়ন। অবশেষে গত শনিবার সুনিতাকে অমৃতসর পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে পাক রেঞ্জার্স। প্রসঙ্গত, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ধরা পড়ছে একের পর এক ‘পাক চর’। এই পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই সুনিতাকে নিয়ে তৈরি হয়েছে জল্পনা। তিনি কোনও ‘পাক চর’ নয়তো উঠছে প্রশ্ন। বর্তমানে সুনিতাকে জেরা করে আরও তথ্য জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.