Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

‘এত দরদ, ভারতীয় মুসলিমদের নিয়ে যাক পাকিস্তান’, মন্তব্য বিজেপি বিধায়কের

সিএএ আনুক পাকিস্তানও, মন্তব্য বিজেপি বিধায়কের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২০, ০৯:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২০, ০৯:২৭

options
link
‘এত দরদ, ভারতীয় মুসলিমদের নিয়ে যাক পাকিস্তান’, মন্তব্য বিজেপি বিধায়কের zoom
প্রতীকী ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন উত্তরপ্রদেশের কাথাউলির বিজেপি বিধায়ক বিক্রম সাইনি। এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, ‘পাকিস্তানেরও উচিত সিএএ আনা। তারপর ভারতে নিপীড়িত মুসলিমদের নিজেদের দেশে নিয়ে পাকিস্তানের নাগরিকত্ব দেওয়া। কারণ ভারতের মুসলিমদের দুরবস্থা নিয়ে পাকিস্তানের দুঃখ, দরদ। ওরা আমাদের মতো নাগরিক বিল আনলেই পারে। এ দেশের মুসলিমদের পাকিস্তানের নাগরিকত্ব দিয়ে দিক।’

সাইনির এই মন্তব্যের পরেই সোশ‌্যাল মিডিয়ায় উঠেছে বিতর্কের ঢেউ। সাইনি বলেন, ‘আমার মতে, পাকিস্তানেরও সিএএ-র মতো আইন আনা উচিত। সবচেয়ে ভাল বদলাবদলি করে নেওয়া। পাকিস্তানে যে সংখ্যালঘুরা পীড়িত, তাঁদের ভারতে চলে আসা উচিত। আর এখানে যাঁরা পীড়িত তাঁদের পাকিস্তানে চলে যাওয়া উচিত। কে আটকাচ্ছে। ১০০ শতাংশ এটা হওয়া উচিত।’‌ উত্তরপ্রদেশ বিজেপি এ ব‌্যাপারে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। এই প্রথম নয়, এর আগেও সিএএ এবং সংখ্যালঘুদের নিয়ে একাধিকবার বিতর্কিত মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে উত্তরপ্রদেশের বিজেপি নেতা-মন্ত্রীদের।

Advertisement

উল্লেখ্য, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে গোড়া থেকেই সরব পাকিস্তান। ভারতকে আণবিক হামলার হুমকি পর্যন্ত দিয়েছেন পড়শি দেশের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। রাষ্ট্রসংহয়েও ভারতের বিরোধে আওয়াজ তুলেছে ইসলামাবাদ। তবে পাকিস্তানের কথায় কান দেয়নি কোনও দেশই। আন্তর্জাতিক মঞ্চে কার্যত একঘরে হয়ে গিয়েছে ইমরান সরকার।

এদিকে, কয়েকদিন আগেই ইরান সফরে গিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। সেখানে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) নিয়ে সে দেশের ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের কাছে ব্যাখ্যা দিলেন তিনি। এছাড়া, ছাবাহার বন্দরে সহযোগিতা আরও বাড়ানো নিয়েও ইরানের বিদেশমন্ত্রী জাভেদ জ়ারিফের সঙ্গে কথা হয়েছে জয়শংকরের। CAA নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মুসলিম দেশগুলির সংগঠন ‘অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কান্ট্রিজ’ (OIC)। তাৎপর্যপূর্ণভাবে OIC’র অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ইরান। ফলে মুসলিম বিশ্বে যাতে নয়া আইন নিয়ে ভুল বার্তা না যায়, সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই জয়শংকরের ইরান সফর।

[আরও পড়ুন: মিসাইলের আঘাতেই ইরানে ভেঙে পড়ে বোয়িং বিমান! তুঙ্গে জল্পনা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.