Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

হাফিজ সইদের মুক্তিতে মুখোশ খুলল পাকিস্তানের, কড়া সমালোচনায় ভারত

সন্ত্রাস নিয়ে পাকিস্তানের অবস্থানে আর কোনও ধোঁয়াশা নেই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯, ১৮:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯, ১৮:৪৪

options
link
হাফিজ সইদের মুক্তিতে মুখোশ খুলল পাকিস্তানের, কড়া সমালোচনায় ভারত zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গৃহবন্দি নাকি চোখে ধুলো! মুম্বই হামলার মূলচক্রী হাফিজ সইদের মুক্তির পর থেকেই এই প্রশ্ন উঠছিল। ঠিক একদিন পরই ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফ থেকে পাকিস্তানের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করা হল। মুখপাত্র রভিশ কুমার দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিলেন, এই একটা সিদ্ধান্তেই পাকিস্তানের আসল চেহারা প্রকাশ্যে চলে এল।

জাতীয় সংগীত চলাকালীন বসে থেকে পড়ুয়াদের সেলফি, তুঙ্গে বিতর্ক ]

Advertisement

কাশ্মীরে একাধিক সন্ত্রাসবাদী হামলার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জড়িত জঙ্গি সংগঠন জামাত-উদ-দাওয়ার প্রধান হাফিজ সইদ। ২০০৮ সালে মুম্বই হামলারও মুলচক্রী এই জঙ্গিনেতা। কিন্তু, ভারত একাধিক প্রমাণ দেওয়া সত্ত্বেও, তার বিরুদ্ধে প্রথমে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি পাকিস্তান। শেষপর্যন্ত, মার্কিন চাপে একপ্রকার বাধ্য হয়ে গত জানুয়ারিতে পাকিস্তানে হাফিজ সইদকে গৃহবন্দি করা হয়। গত ৩১ জানুয়ারি থেকে গৃহবন্দি এই জঙ্গিনেতা ও তার চার সঙ্গী। এমনকী, কাশ্মীরের জেহাদের নামে সন্ত্রাস ছড়ানোর অভিযোগেই যে হাফিজ সইদ ও তার চার সঙ্গীকে গৃহবন্দি করা হয়েছিল, তাও স্বীকার করেছিল পাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। কিন্তু ঘটনা হল, লাহোর হাই কোর্টে এই জঙ্গিনেতা ও তার সঙ্গীদের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণই পেশ করতে পারল না ইসলামাবাদ। তাই গৃহবন্দি দশা থেকে হাফিজ সইদ ও তার চার অনুগামীকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় আদালত। এরপরই সমালোচনায় মুখর হয় ভারত। বিদেশমন্ত্রকের তরফে সাফ জানানো হয়, পাকিস্তান যে সন্ত্রাসবাদীদের মূলস্রোত হিসেবে দেখাতে চাইছে, তা নিয়ে আর কোনও সংশয় থাকল না। সন্ত্রাস মোকাবিলায় পাক প্রশাসনের তৎপরতার যে কতটা অভাব আছে, তা আর চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে হয় না।

এদিন রভিশ কুমার জানান, হাফিজ সইজের মতো জঙ্গিকে রোখার জন্য আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও পাকিস্তানের কিছু দায়দায়িত্ব আছে। সে ব্যাপারে পাকিস্তানকেই সঠিক পদক্ষেপ করতে হবে। তবে সইদের মুক্তি জানিয়ে দিল, পাকিস্তানের নীতি বদলায়নি। এখনও পরোক্ষে সন্ত্রাসকেই সমর্থন জানিয়ে চলেছে দেশটি। হাফিজ সইদের গৃহবন্দিত্ব ভারতের পক্ষে কূটনৈতিক জয় ছিল বলেই মনে করা হচ্ছিল। মার্কিন-ভারত দৌত্যের কাছে মাথা নত করতে বাধ্য হয়েছিল পাকিস্তান। এতে সন্ত্রাস দমনে পাকিস্তানের সদর্থক দিকটিও ফুটে উঠেছিল। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল পাকিস্তান আছে পাকিস্তানকেই। আর তাই স্রেফ প্রমাণাভাবের অছিলায় সইদের মতো জঙ্গিনেতাকে মুক্তি দিল আদালত। এদিন পাকিস্তানের এই সন্ত্রাস সমর্থনের পরোক্ষ নীতিকেই কড়া ভাষায় সমালোচনা করল ভারত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.