সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডে ফের মাওবাদীদের দৌরাত্ম্য। তাদের বিছানো আইইডি বিস্ফোরণে প্রাণ গেল এক সিআরপিএফ জওয়ানের। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, জঙ্গলে মাটির নিচে বোমা পুঁতে রেখেছিল মাওবাদীরা। অভিযান চলাকালীন ভুলবশত সেখানে পা রাখতেই ঘটে যায় অঘটন। শহিদ জওয়ানের নাম সত্যবান কুমার সিং। তাঁর বয়স ৩৪ বছর।
শনিবার ভোরে গোপন সূত্রে পুলিশের কাছে খবর আসে ওড়িশা -ঝাড়খণ্ড সীমানার কাছে সারান্ডার জঙ্গলে কয়েকজন মাওবাদী লুকিয়ে রয়েছে। এরপরই জঙ্গল ঘেরা অঞ্চলে যৌথ অভিযানে নামে ওড়িশার স্পেশাল অপারেশনস গ্রুপ (এসওজি) এবং সিআরপিএফের ১৩৪ নম্বর ব্যাটেলিয়ান। তল্লাশি চলাকালীন মাটির নিচে পুঁতে রাখা বিস্ফোরকে পা দিয়ে ফেলেন সত্যবান। তারপরই ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে রাউরকেল্লার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। চলতি বছরে এই নিয়ে মাওবাদীদের হাতে নিহত হলেন মোট ১৯ জন নিরাপত্তা কর্মী।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে মাওবাদমুক্ত ভারত গড়ার বার্তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এরপর থেকেই ছত্তিশগড়, ঝড়খণ্ডের মতো মাও অধ্যুষিত রাজ্যগুলিতে মাওবিরোধী অভিযান ব্যাপক গতি পেয়েছে। গোয়েন্দাদের মতে, বর্তমানে ছত্তিশগড় তেলেঙ্গানা সীমানাবর্তী কারেগুট্টা পাহাড়ি এলাকা মাওবাদীদের অন্যতম শক্তঘাঁটি। এই এলাকা থেকে মাওবাদের শিকড় উপড়ে ফেলতে প্রায় ৩ হাজার আধাসেনাকে নামানো হয়েছে।
এখনও পর্যন্ত ওই এলাকাজুড়ে অভিযান চালিয়ে ৩১ জনের বেশি মাওবাদীকে হত্যা করা হয়েছে। ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র ও তেলেঙ্গানা সীমানা ঘেঁষা পাহাড় ও জঙ্গলে ঘাঁটি গেড়ে থাকা ১০০০ মাওবাদীকে ধরতে নামানো হয়েছে প্রায় ২০ হাজারের বেশি যৌথ বাহিনীকে। অভিযানে ইতিমধ্যেই খতম করা হয়েছে মাওবাদীদের সাধারণ সম্পাদক বাসবরাজু এবং মাওয়বাদীদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুধাকরকে। এবার মাওবাদীদের ডেরায় শহিদ হলেন এক সিআরপিএফ জওয়ান।
সর্বশেষ খবর
-
‘শুধরে যাও, নাহলে…’, নাম না করে রাষ্ট্রসংঘে ফের ‘সন্ত্রাসী’ পাকিস্তানকে তুলোধোনা জয়শংকরের
-
পুরভোটের আগে ফের সাংগঠনিক রদবদল বঙ্গ বিজেপিতে, বড় দায়িত্বে সজল
-
ভিনিসিয়াস-নুনেজদের স্বাগত জানাতে সেজে উঠছে যুবভারতী
-
রাষ্ট্রসংঘে মহানাটক! ইরানের দূতকে রহস্যময় উপহার দিতে গেলেন ইজরায়েলের প্রতিনিধি, তারপর…
-
২৪ দিনে ৫৫ নবজাতকের মৃত্যু! বিতর্কে কী বলছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল?