Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Parliament Session Nirmala Sitharaman

‘পাড়ার আন্টির মতো দেখতে বলেই আমাকে নিয়ে এত রসিকতা’, বিরোধীদের তোপ নির্মলার

অর্থনীতির হাল খারাপ, ধার করে চলছে সরকার, স্বীকার করলেন অর্থমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০, ১০:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০, ১০:০৮

options
link
‘পাড়ার আন্টির মতো দেখতে বলেই আমাকে নিয়ে এত রসিকতা’, বিরোধীদের তোপ নির্মলার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দৈব দুর্বিপাক বা ‘অ্যাক্ট অফ গড’ মন্তব্যের সাফাই দিতে গিয়ে লোকসভায় ‘ভিকটিম কার্ড’ খেললেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ (Nirmala Sitharaman)। নির্মলার দাবি, তিনি একজন মহিলা অর্থমন্ত্রী হওয়ায় তাঁর কথাকে গুরুত্ব দিচ্ছে না বিরোধীরা। অর্থমন্ত্রীর কথায়, ‘আমি সাধারণ মহিলা। পাশের বাড়ির আন্টির মতো দেখতে। সেজন্যই আমাকে নিয়ে এত রসিকতা।’

রাজ্যগুলির প্রাপ্য জিএসটির ক্ষতিপুরণ মেটাতে রাজি না হওয়ায় একাধিক রাজ্য সরকার আঙুল তুলেছিল অর্থমন্ত্রীর দিকে। বিরোধীরা রীতিমতো তুলোধোনা করছিলেন নির্মলাকে। চাপের মুখে তিনি সাফাই দিয়ে বলেন, করোনা ‘দৈব দুর্বিপাক’ বা ভগবানের মার (Act of God)। এতে তাঁর কিছু করার নেই। অর্থমন্ত্রীর এই মন্তব্যে আরও চটে যায় বিরোধীরা। রাজনৈতিকভাবে তো বটেই, ব্যক্তিগত স্তরেও আক্রমণ করা হয় তাঁকে। সেসব নিয়ে বিরোধীদের জবাব দিতে গিয়ে শুক্রবার লোকসভায় (Parliament Session) রীতিমতো আগ্রাসী মেজাজে ধরা দিয়েছেন নির্মলা। অর্থমন্ত্রী বলছেন,”অনেকেই জিএসটির ক্ষতিপূরণ নিয়ে বারবার অভিযোগ করছেন। আমার বলা ‘অ্যাক্ট অফ গড’ শব্দগুলি বারবার ব্যবহার করা হচ্ছে। আমি সেজন্য খুশি। আসলে কঠিন পরিস্থিতি বোঝাতে ল্যাটিন শব্দ ‘ফোর্স মেজিওর’ বললে লোকের কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু একজন সাধারণ মহিলা অর্থমন্ত্রী ‘দৈব দুর্বিপাক’ বললেই তাঁকে ব্যঙ্গ করা হচ্ছে। এটা কি ঠিক?” নির্মলা বলছেন,”আসলে আমি একজন সংসারী মহিলা, পাড়ার আন্টির মতো দেখতে। তাই আমার কথায় রসিকতা তো হবেই।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: পৃথক পতাকা আর সংবিধান ছাড়া কোনও আলোচনা নয়, কড়া অবস্থান নাগা সংগঠনের]

রসিকতা করার জন্য বিরোধীদের তোপ দাগলেও নির্মলা এদিন স্বীকার করে নিয়েছে, দেশের অর্থনীতির হাল ভাল নয়। কেন্দ্রের খরচের একটা বড় অংশ চলছে ধার করে। নির্মলা জানিয়েছেন, লকডাউনের জন্য এপ্রিল থেকে জুন মাসে কেন্দ্রের আয় প্রায় ৩০ শতাংশ কমে গিয়েছে। তার উপর ১০০ টাকা আয় হলে রাজ্যগুলিকে করের ভাগ এবং অনুদান বাবদ দিতে হচ্ছে ১০৭ টাকা। তাই বাধ্য হয়ে এই মুহূর্তে কেন্দ্রের খরচ চলছে ধার করে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.