Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

পাঠানকোট হামলার মূলচক্রী মাসুদ আজহার, জানাল এনআইএ

কম্প্রিহেনসিভ চার্জশিট পেশ করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০১৬, ১৩:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০১৬, ১৩:২০

options
link
পাঠানকোট হামলার মূলচক্রী মাসুদ আজহার, জানাল এনআইএ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাঠানকোট হামলার তদন্তে নেমে সোমবার একটি কম্প্রিহেনসিভ চার্জশিট পেশ করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। পিটিআই সূত্রে খবর, এনআইএ-র চার্জশিটে পাঠানকোটে ভারতীয় বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলার মূলচক্রী হিসাবে মৌলানা মাসুদ আজহারের নাম রয়েছে। তার নেতৃত্বেই চলতি বছরের ২ জানুয়ারি হামলা চালায় জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গিরা। হামলায় শহিদ হন সাতজন জওয়ান, প্রাণ হারান দুই ভারতীয় নাগরিক।

পিটিআই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এনআইএ-র চার্জশিটে জইশ প্রধান মাসুদ ছাড়াও নাম রয়েছে তার ভাই রউফ আসগর ও দুই শীর্ষ জঙ্গিনেতার। পাঞ্জাবের পঞ্চকুলা বিশেষ আদালতে এদিন ওই চার্জশিট জমা দেয় এনআইএ। হামলার পরপরই রউফ একটি ভিডিও প্রকাশ করে পাঠানকোট হামলার দায় স্বীকার করে। ওই হামলা চালানোর জন্য দাদা মাসুদকে ‘মহান’ বলেও আখ্যায়িত করে। ১৯৯৯ সালে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান অপহরণ করে আফগানিস্তানের কান্দাহারে নিয়ে যায় রউফ। এই কাজে তাকে সঙ্গত দিয়েছিল আইএসআই। এর বদলে আজহারকে ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল তৎকালীন বাজপেয়ী সরকার। এরপরই পাকিস্তানে ফিরে জইশ-ই-মহম্মদ নামে জঙ্গি সংগঠন তৈরি করে মাসুদ আজহার। ২০০১ সালে ভারতীয় সংসদে জঙ্গি হামলা জইশেরই মস্তিষ্কপ্রসূত। তারপর থেকে আইএসআই-এর সাহায্যে পাকিস্তানে ক্রমাগত শক্তিসঞ্চয় করে গিয়েছে জইশ ও আজহার।

Advertisement

এখন এনআইএ-র চার্জশিটকে সামনে রেখে আজহারের বিরুদ্ধে নতুন করে ছক সাজাচ্ছে নয়াদিল্লি। সূত্রের খবর, আন্তর্জাতিক মহলের সামনে এই চার্জশিট তুলে ধরে মাসুদের গায়ে আন্তর্জাতিক জঙ্গির তকমা সেঁটে দিতে চায় নয়াদিল্লি। চিনা হস্তক্ষেপে সেই উদ্যোগ বারবার বাধা পেয়েছে। ইউএপিএ আইনে আজহার, রউফ, কাসিফ জান ও শাইদ লতিফের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.