সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরে ইন্ডিয়া জোটের ঘরে আগুন লেগেছিল আগেই, এবার জোট সম্ভাবনায় শেষ পেরেকটা পুঁতে দিলেন পিডিপি (PDP) প্রধান মেহবুবা মুফতি (Mehbooba Mufti)। রবিবার উপত্যকার ৩ লোকসভা আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে পিডিপির তরফে। সেখানে অনন্তনাগ-রাজৌরি কেন্দ্রে নিজেকেই প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করলেন মেহবুবা। যার জেরে দুই শরিক দল ন্যাশনাল কনফারেন্স ও পিডিপি এখন সম্মুখ সমরে।
গত সপ্তাহে দিল্লিতে বিরোধী জোটের মহামঞ্চে একত্রে দেখা গিয়েছিল ন্যাশনাল কনফারেন্স ও পিডিপিকে। এর ঠিক পর জম্মু ও কাশ্মীরে ফিরে পিডিপিকে অন্ধকারে রেখে ফারুক আবদুল্লার দল ন্যাশনাল কনফারেন্স প্রার্থী ঘোষণা করে অনন্তনাগ-রাজৌরি কেন্দ্রে। অথচ এই কেন্দ্র মেহবুবা মুফতির গড় হিসেবে পরিচিত। একাধিকবার এই কেন্দ্র থেকে সাংসদ হয়েছেন তিনি। সেখানে ন্যাশনাল কনফারেন্স প্রার্থী করে গুজ্জর নেতা মিয়াঁ আলতাফ আহমেদকে। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘোষণার রুষ্ট হন মেহবুবা।
[আরও পড়ুন: ভোট প্রচারে মঞ্চ কাঁপিয়ে নাচ! অচেনা মুডে ধরা দিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী]
এরপর রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে মেহবুবা বলেন, “আমরা কাশ্মীরের ৩ আসনেই নির্বাচন লড়ব এবং জম্মুতে কংগ্রেসকে সমর্থন করব। আমরা কাশ্মীরেও জোটগঠনের চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু ন্যাশনাল কনফারেন্স নিজেদের মতো করে প্রার্থী ঘোষণা করায় বাধ্য হয়েই আমাদের লড়তে হচ্ছে।” পাশাপাশি তাঁর ঘোষণা, কাশ্মীরের ৩ আসনের মধ্যে শ্রীনগর থেকে প্রার্থী হচ্ছেন ওয়াহিদ পারা এবং বারামুল্লা থেকে লড়বেন ফৈয়াজ মীর। এর পাশাপাশি অনন্তনাগ-রাজৌরি কেন্দ্র থেকে নিজেই লড়বেন বলে জানান মেহবুবা মুফতি।.
[আরও পড়ুন: INDIA জোটে জট! মেহবুবাকে অন্ধকারে রেখে অনন্তনাগ-রাজৌরিতে প্রার্থী ঘোষণা আবদুল্লাদের]
প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে ন্যাশনাল কনফারেন্সের তরফে অনন্তনাগ-রাজৌরি কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণার পর পিডিপিকে কটাক্ষ করে ওমর আবদুল্লা বলেছিলেন, “অনন্তনাগ-রাজৌরি কেন্দ্রে মিয়াঁ সাহেবের চেয়ে যোগ্য অন্য কোনও প্রার্থী নেই। এলাকার মানুষ ওঁর সম্পর্কে যথেষ্ট পরিচিত। উনি কখনই ধর্ম ও জাতির ভিত্তিতে নির্বাচনে নামেননি। উন্নয়নের লক্ষ্যে সকলকে সঙ্গে নিয়ে রাজনীতি করেছেন।” আবদুল্লার সেই মন্তব্যের পর মেহবুবা মুফতির তরফে অবশ্য কোনও বিবৃতি পাওয়া যায়নি। তবে পিডিপি মুখপাত্র মোহিত ভান বলেছিলেন, “উপত্যকার পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে দেশের ১২৫ কোটি ভারতীয়ের কাছে নিজেদের জোটের অংশ হিসেবে তুলে ধরতে চেয়েছিল পিডিপি। তবে দুর্ভাগ্য কিছু দল মানুষের ইচ্ছাকে গুরুত্ব না দিয়ে নিজেদের ইচ্ছা মতো কাজ করছে।” সেই ঘটনার পর উপত্যকায় জোটের কফিনে শেষ পেরেকটা পুঁতে দিলেন মেহবুবা।
সর্বশেষ খবর
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা
-
রাজসাক্ষী হতে চান! জমি দুর্নীতি মামলায় ইডি আদালতে আবেদন জয় কামদারের
-
বাড়ির প্রত্যেক সদস্যদের আলাদা আয়ুষ্মান কার্ড, আধার নম্বরেই মিলবে উপভোক্তার তথ্য
-
দেবরাজের ‘দাদাগিরি’র নয়া হদিশ! দাবিমতো কোটি টাকা না দেওয়ায় কাজ বন্ধ মামলায় চার্জশিট
-
ধনঞ্জয় ফাঁসির ২২ বছর! ‘বিচার মেলেনি’, মামলার পুনঃতদন্তের দাবিতে ফের মিছিল বাঁকুড়ার গ্রামে