BREAKING NEWS

১৭ অগ্রহায়ণ  ১৪২৮  শনিবার ৪ ডিসেম্বর ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

বাড়ি ছাড়তে নারাজ সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: October 4, 2016 9:43 am|    Updated: October 4, 2016 9:43 am

People from borderline area denies to stay in refugee camps

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত-পাক সীমান্তে উত্তেজনার পারদ ক্রমেই চড়ছে৷ উরি হামলার পর নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর সীমান্তবাসীদের নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে৷ জম্মুতেই এখনও পর্যন্ত ১০০ টি জায়গা চিহ্নিত হয়েছে৷ যেখানে সীমান্তবাসীদের অস্থায়ী ক্যাম্পের রাখার বন্দোবস্ত করা হয়েছে৷ কিন্তু ক্যাম্প নয়, নিজেদের বাড়িতেই থাকতে পছন্দ করছেন সীমান্তবর্তী গ্রামের অধিকাংশ বাসিন্দাই৷ আর যাঁরা এর মধ্যেই আতঙ্কে বাড়িঘর ছেড়ে অস্থায়ী ঠিকানায় আছেন, তাঁদেরও অনেকেই নিজের পুরনো জায়গাতেই ফিরতে চাইছেন৷

এই পরিস্থিতির মধ্যেই ভারত-পাক সীমান্তে সুনীল তাকিয়া নামের সন্দেহজনক এক ব্যক্তিকে আটক করল বিএসএফ৷ মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা সুনীলকে রবিবার রাতেই আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে৷

শুধু নিজের বাড়ি নয়, কোনও আত্মীয়র বাড়িতেও থাকতে পছন্দ করছেন সীমান্তবাসীরা৷ কাথুরা জেলার ডেপুটি কমিশনার রমেশ কুমার জানিয়েছেন, জেলার মাত্র তিনটি গ্রামের প্রায় ২৫০ জনের মতো মানুষ ক্যাম্পে নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছেন৷ কিন্তু বাকি সকলেই নিজের বাড়িতেই ফিরে গিয়েছেন৷ অনেকে আবার আত্মীয়র বাড়িতেও আছেন৷ অনেকে তো এই আতঙ্কের পরিবেশের মধ্যেও নিজের বাড়িতেই থেকে গিয়েছেন৷ এই জেলায় ৩৪টি অস্থায়ী ক্যাম্পের মধ্যে মাত্র ২০টিতে স্থানীয় বাসিন্দারা রয়েছেন৷

একই অবস্থা সাম্বা জেলাতেও৷ দু’দেশের গুলির লড়াইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ২৫ হাজার গ্রামবাসী৷ এখানেও অস্থায়ী ক্যাম্পগুলির মধ্যে মাত্র পাঁচটিতে স্থানীয় বাসিন্দারা রয়েছেন৷ যদিও এখানে তেমনভাবে উত্তেজনা নেই৷ সাম্বার ডিসি জানিয়েছেন, পরিস্থিতর দিকে নজর রাখা হয়েছে৷ আবার আর পুরা সেক্টরের ক্যাম্পগুলি থেকে এরমধ্যেই দেড় হাজারের মতো গ্রামবাসী বাড়ি ফিরে গিয়েছেন৷ উল্লেখ্য, অনেকে আবার রাতে ক্যাম্পে থাকছেন৷ খুব ভোরে সেখান থেকে বাড়ি ফিরে গৃহপালিত পশুদের দেখাশোনা করছেন৷ স্থানীয় প্রশাসন মনে করছে, প্রধানত গৃহপালিত পশুদের দেখভালের জন্যই বাড়ি ফিরে যেতে চাইছেন সীমান্তের আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা৷

শুধু যে বাড়ি ফিরে যেতে চাইছেন তা নয়, গুলি ও গ্রেনেডের ভয়-আতঙ্কও তাঁদের মধ্যে রয়েছে৷ সেই কারণে তো প্রাণ বাঁচানোর জন্য এবার সীমান্তবাসীরা গ্রামে বাঙ্কার তৈরির দাবি জানালেন৷ আখনুরের বাসিন্দা দিশা দেবী জানিয়েছেন, যখন সীমান্তে গোলা-গুলি চলে, তখন বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ছাড়া কোনও উপায় থাকে না৷ সরকার আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, নিরাপত্তার জন্য বাঙ্কার তৈরি করে দেবে৷ কিন্তু এখনও তার দেখা পাওয়া যায়নি৷ তিনি একইসঙ্গে আশাবাদী এবার হয়তো তাঁদের দাবি মেনে বাঙ্কার করে দেবে৷

 

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে