Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল

৫ বছর ভারতে থাকলেই নাগরিকত্ব! অমুসলিম শরণার্থীদের জন্য দরাজ মোদি সরকার

হিন্দু শরণার্থীদের সুবিধার্থেই এই সিদ্ধান্ত? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০১৯, ১২:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০১৯, ১২:৩১

options
link
৫ বছর ভারতে থাকলেই নাগরিকত্ব! অমুসলিম শরণার্থীদের জন্য দরাজ মোদি সরকার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলে আরও সহজ হবে অমুসলিম নাগরিকদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া। মাত্র পাঁচ বছর আগে ভারতে আসলেই নাগরিকত্ব পেয়ে যাবেন তাঁরা। সূত্রের খবর, আগামী সোমবার সংসদে যে নাগরিকত্ব বিল পেশ হতে চলেছে, তাতেই নতুন শর্ত আরোপ করা হচ্ছে। আগে ভারতের নাগরিকত্ব পেতে কোনও শরণার্থীকে অন্তত ১১ বছর এদেশে থাকতে হত। গত বছর সেই সময়সীমা কমিয়ে ৬ বছর করা হয়েছিল। এবছর তা আরও কমানো হবে।

সূত্রের খবর, নতুন বিলে শর্ত দেওয়া হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ বা তার আগে বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে যে সমস্ত অমুসলিম শরণার্থীরা ভারতে এসেছেন, তাঁদের প্রত্যেককেই নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। অর্থাৎ, আপনি যদি হিন্দু, খ্রিস্টান, শিখ, বৌদ্ধ, পারসি বা জৈন ধর্মের লোক হন, এবং ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে থেকে ভারতে বসবাস করে থাকেন, তাহলেই আপনি নাগরিকত্ব পেয়ে যাবেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘ধর্ষকদের ফাঁসি দেখে যেতে চাই’, মৃত্যুর আগে বলেছিলেন উন্নাওয়ের নির্যাতিতা]

১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করেই এই নতুন সংশোধনী আনা হচ্ছে। ১৯৫৫ সালের আইন অনুযায়ী, শরণার্থীরা ভারতের নাগরিকত্ব পেত ১১ বছর থাকার পর। কিন্তু, নতুন বিল বলছে মাত্র ৫ বছর ভারতে থাকলেই নিঃশর্তে নাগরিকত্ব পেয়ে যাবে অমুসলিমরা। এক্ষেত্রে, শুধুমাত্র নিজেকে অমুসলিম বলে হলফনামা জমা দিলেই কাজ মিটে যাবে। কোনওরকম কাগজপত্রে জোগাড়ের ঝামেলাতেও পড়তে হবে না

[আরও পড়ুন: ‘আমাকেও মেরে ফেলো’, কাতর আর্তি হায়দরাবাদ এনকাউন্টারে খতম অভিযুক্তের স্ত্রীর]

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলত হিন্দু সম্প্রদায়ের নাগরিকত্ব পেতে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেজন্যই এমন নিয়ম আনতে চাইছে বিজেপি। এতে রাজনৈতিকভাবে বেশ খানিকটা সুবিধা পেয়ে যাবে গেরুয়া শিবির। বিশেষ করে এরাজ্যে হিন্দুদের যাতে কোনওরকম সমস্যায় পড়তে না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য বেশ কয়েকবার কেন্দ্রীয় নেতাদের দ্বারস্থও হয়েছেন রাজ্য বিজেপির নেতারা। সেকারণেই হয়তো, বিশেষ সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা গেরুয়া শিবিরের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.